ভাবনার রঙে রঙীন

কেমন আছিঃ উম্পুন

গ্রামের পাঁজড়ের ওপর দাঁড়িয়ে এই শহর, অট্টালিকারা যতই আকাশচুম্বী হোক, প্রতিটা শহর ধ্বংসের পেছনে দ্বায়ী থাকবে রাষ্ট্র ব্যবস্থা। অবহেলিত গ্রাম, জীবন, কৃষির শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকবে একটা অপদার্থতা ; শোষণ আর শাসনের ব্যাভিচারের ভিত্তিতে বিকিয়ে যাবে শিল্প, পরে থাকা কঙ্কালসারের ওপর নৃত্যরত রাষ্ট্রনায়ক গুলোর অট্টহাসি, সঙ্গে ডঙ্কা।

বাবার সঙ্গে শেষ 3দিন কোনো যোগাযোগ হয়নি, হেলিকপ্টার তো ওপরে ওরে, মানুষের পা মাটিতে। অর্থ নয়, জীবন চাই। চাপ টিউবওয়েলের জল চাই, বেঁচে থাকতে খাদ্য চাই, শান্তি পেতে যোগাযোগ চাই। একটা অপদার্থ সরকার, একটা ঝড়ে যে নিজেই এলোমেলো হয়ে যায়, যে ছোট্ট শহরের জনজীবনের বুকে স্বাভাবিক স্বাদ ফেরাতে বেসামাল, সে এতো, পরগনা, এতো গ্রাম সামলাবে কিভাবে! অয়ালা, বুলবুল, ফেনী র পর আমফান।

শুধু ভাষণে, আর ঘোষণায় অনেক শিলান্যাস দেখেছে মানুষ, কার্যকরিতা দেখেনি। 18টা বলদ এর সঙ্গে বার্ধক্যভাতা ভাতা পাওয়া দেবশ্রী রায় কে রায়দিঘি দেখেনি, চিরকুমার অভিষেক ব্যানার্জির অবস্থান ও জানা যায়নি, জানা যায়নি বাকি দুধেল গাই দের কার্যকলাপ এই আমফানের সময়, শুধু উড়ছে, হেলিকপ্টার, আর ভাষণ।

3দিন হয়ে গেলো পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়ে ওঠেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *