অরুচির কথা

কদিন থেকেই মুখের রুচি ছিল না। অবশ্য বিনা কারনেই এই অরুচি। এটা আমার মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে।

শেষে রায়গঞ্জ থেকে বহুল শ্রুত তুলাইপাঞ্জী চাল আনিয়ে তার ভাত রেঁধে খেলাম। মানে Rumi ই রাঁধল। আরিব্বাস, কি যে সুস্বাদু, নরম আর হালকা একটা মনমোহক সুগন্ধ। লাষ্ট দুদিন ধরে দারুন খাচ্ছি। Kuheli এর শ্বাশুরির কথায় , খুব ভালো খাচ্ছি। সাথে চিকেন মটন তো আছেই। আর আছে দিশি চারা পোনা। চুনো মাছের বাটি চচ্চড়িও হছে বটে তবে ওটা সংরক্ষিত। দিল্লু নেপাল আর আমার মায়ের জন্য। লুলুর জন্যো খিচুড়ি তৈরি হচ্ছে ওই চালেরই।

আমি ও রসে তেমন জাড়িত নেই। তবে তুলাইয়ের আসল স্বাদ কিন্তু নিরামিশে। যেমন বেগুন পোড়া, বা সাথে সোনামুগের ডাল আর একটু আলুপোস্ত। পারলে একটু কাঁচকলা বাটা। সাথে ধনেপাতার চাটনি। আহাহা হা হা হা। কি খাচ্ছি। তবে ভুল করেও যেন ঘি দেবেন না, তাতে তুলায়ের সুগন্ধ ঢাকা পরে যাবে। সুতরাং ওজন কেজি ২-৪ বাড়লো বলে। রুমির জন্য তবে এই রোমান্টিসিজম বাড়াবাড়িই ঠেকছে, উড়ে বিহারিরা চালের বোঝেটা কি?

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *