আজ Soutik বাবু একটা কোরান কে অপব্যাখ্যা মূলক একটা পোষ্ট করেছেন। কিন্তু ঘটনা হল নাথুরাম গড়সে কি কোরান পড়তেন? মানব বোমার আধুনিক জনক LTT দেশপ্রেমিকরা কি কোরান মেনে চলতেন?

আমি একটা সংগ্রীহিত পোষ্ট করছি এটা দেখাবার জন্য যে, গু সকলের পিছনেই আছে। সুতরাং অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে দেখা উচিৎ, নাহলে চারটে আঙুল আপনার দিকেই তাক করে আছে।

আমি আগে মানুষ, তার পরে ভারতীয়, কিন্তু তারপর মুসলমান। আর কোরান আমার মননে আমার পরিচয় ও অস্তিত্বের একমাত্র কারন। তার অপব্যাখ্যা বা মিথ্যা সমালোচোনা করলে নি:সঙ্কোচে আমায় আনফ্রেন্ড করুন। কারন আমি বা আপনি কেও কারো যোগ্য নই। আমি তাদের ঘৃনাও করি।

আমি সাম্প্রদায়িক নই যে উগ্র ইসলামকে সমর্থন করি। আরা করে তাদের জন্যও শুধু ঘৃনা। যারা ধর্মকে হাতিয়ার করে নিরীহ মানুষ কে হত্যা করে বা অত্যাচার করে তারা যে ধর্মেরই হোক, তারা নরকের কীটের অধম। ক্লীব হিজরে। আমি অন্য ধর্মকে শ্রদ্ধা করি, তাঁদের আচারকে সম্মান করি, তাদের বিশ্বাসে আমার কিন্তু বিশ্বাস নেই। কিন্ত তাবলে নাস্তিকও নই। চোরের জাতে ৭০ % মুসলিমান হলে যদি কেও জাতিকে গালি দেয়, তাহলে হয়ত মুখ বুজে শুনব কারন ওটাই ফ্যাক্ট।

কিন্তু কেউ যদি আড়াইটাকার জ্ঞান নিয়ে কোরান ব্যাখ্যা করতে আসে বা সেটাকে সাইকোর মত সমর্থন করেন, নিশ্চিন্তে আমাকে আপনি আমায় আনফ্রেন্ড করতে পারেন। নাহলে আমিই করব।
*********

বেদের শান্তিময় বাণী =
যজুর্বেদ ৭/৪৪,
ধর্মের বাইরে যারা সবাইকে যুদ্ধের মাধ্যমে বশ্যতা স্বীকার করাতে হবে।
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ। স্বামী দয়ানন্দের ভাষ্য হতে সরাসরি অনুবাদ।

অতঃপর রাজার প্রতি আদেশ, এদের পুড়িয়ে মার। যজুর্বেদ ১৩/১২,
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ। স্বামী দয়ানন্দের ভাষ্য হতে অনুবাদিত।

এরপর তাদের জায়গা জমি এবং রান্নাঘর ধংস কর,
যজুর্বেদ ১৩/১৩,
শত্রুদের হত্যা কর ও তাদের জায়গা জমী ও রান্নাঘর ধংস কর।
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ |
এবার দেখি আরো অমানবিক ব্যাপার, শুধু শত্রুদের ধংস করেই ক্ষান্ত নয়, বরং তাদের পরিবারের সদস্যাদেরকেও হত্যা করতে বলছে বেদ,
যজুর্বেদ ১৭/৩৯,
“সেনাপ্রধান হিংস্র ও নির্দয়ভাবে শত্রুদের পরিবারের সদস্যদের সাথে যুদ্ধ করবে।”
যজুর্বেদ ১৭/৩৮
শত্রুদের পরিবারকে হত্যা কর, তাদের জমি ধংস কর।
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ। স্বামী দয়ানন্দের ভাষ্য হতে অনুবাদিত।

এই হচ্ছে শান্তিময় বেদ।। আর এইসব যুদ্ধের মুল প্রেরনা কি ?মূল প্রেরনা হচ্ছে শত্রুদের লুট করে ধনসম্পদ বৃদ্ধি। বেদের স্পষ্ট বানী,
যজুর্বেদ ৭/৩৮,
“যুদ্ধই তোমাদের উন্নতির উৎস, এজন্যই তোমাদেরকে আমি যুদ্ধে প্রেরন করি”
যজুর্বেদ ১৮/৭৪,
“হে সেনাপ্রধান, আমাদের আশা পুর্ণ করো। হে ধনসম্পদের বাদশা, তোমার সহায়তায় আমরা যেন সম্পদশালী হতে পারি এবং যুদ্ধে জয় লাভ করে প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হতে পারি।”
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ। স্বামী দয়ানন্দের ভাষ্য হতে অনুবাদিত।

এই ব্যাপারে বেদাঙ্গেও আছে, নিরুক্ত ৪/৫, “শত্রুদের ধংস করে তাদের সম্পদ কেড়ে আনো। তাদের সম্পদ ও খাদ্য ঘর থেকে ছিনিয়ে আনো।”

বেদের নিয়মের কারনে মনুসংহিতায়ও একি বিধান আসল, মনুসংহিতা ৭/৯৬,
“গাড়ি, ঘোড়া, হাতি, অর্থ, শস্য , গবাদিপশু ও নারী তার দখলে যে যুদ্ধের মাধ্যমে তা জয় করে।”
অর্থাৎ শত্রু পরিবারের নারীরাও যাবে দখলকারীর ভোগের জন্য।

আর যজুর্বেদ ২৯/৩৯ এ, এভাবেই যুদ্ধে ধনসম্পদ লুট খুনের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ব দখল করতে বলছে। এবং একিসাথে এই মন্ত্রে স্পষ্টভাবে কোন আত্তরক্ষার্থে নয় বরং যারা শান্তিপ্রিয় তাদেরকে আক্রমন করে দখল করতে বলছে,
“আমরা যেন সামরিক অস্রের মাধ্যমে বিশ্ব দখল করতে পারি, আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আমরা যেন শান্তিপ্রিয় বা আরামপ্রিয় শত্রুদের বিরুদ্ধে জয় লাভ করতে পারি। এভাবে অস্র দিয়ে আমরা যেন সারা বিশ্বের সকল অঞ্চলকে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারি।”
অনুবাদঃ দেবী চাঁদ, আর্য সমাজ। স্বামী দয়ানন্দের ভাষ্য হতে অনুবাদিত।|

অর্থাৎ বেদ সমগ্র বিশ্ব দখল করবে জ্ঞান বা ভালবাসা দিয়ে নয়, বরং অস্র দিয়ে, শান্তিপ্রিয় মানুষদের হত্যা করে ও তাদের এলাকা দখল করে। এজন্যই বেদ শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার প্রতি যার রয়েছে অস্র।|
যজুর্বেদ ১৬/৩৬, “তার প্রতি শ্রদ্ধা, যার রয়েছে তলোয়ার, তীর। তার প্রতি সন্মান যার রয়েছে ধারালো অস্র। তার প্রতি খাদ্য নিবেদন যার রয়েছে ভাল অস্র ! ))

এভাবে যদি বেদের বানী সাড়া পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়, দুনিয়ার অবস্থা কেমন হবে তা সহজেই চিন্তনীয়। বেদের অজস্র হিংস্রাত্তক মন্ত্র হতে শুধু অল্প কয়টি এখানে দিলাম। এটি যে সর্বশক্তিমান সৃষ্টার নয় বরং যুদ্ধ, ধংস ও লুট প্রিয় আর্যজাতীর বাণী তা সহজেই বোধগম্য।

(গু- যে সকলের পিছনেই আছে এটা তাই প্রমান)

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *