লেখাঃ প্রেমানন্দ বাচস্পতি

শুভরাত্রি

সেকি, শুরুটাই করলেন শুভরাত্রি দিয়ে, এটা কি ভাবে নেব? শেষের শুরু না শুরুর শেষ?

আপনি লেখক? আপনার লেখাগুলো আমার বেশ ভাললাগে

ওগুলো আপনার কাছে লেখা মনে হয়? আমার কাছে এগুলো প্রলাপের আক্ষরিক রূপ। সময় অতিবাহনের পন্থাও বললে অত্যুক্তি হয়না, অফুরান সময়।

সে আপনি যাই বলুননা কেন!

তুমি ধুমপান করো?

হ্যাঁ

কেন করো!

মানা করার কেও নেই তাই

ঠিক আছে, এখন থেকে বন্ধ

কিসের সুখে?

আমি বলছি তাই বন্ধ, এতে আবার এতো কিন্তুর কি আছে!

আপনি? কেন!

এমনিই বলছি

সে তো বুঝলাম, কিন্তু আপনি আমাকে মানা করার কে!

সে জানিনা………

রোজই কি এতো রাত পর্যন্ত জেগে থাকো?

হুম

কার জন্য!

নিজের জন্য জাগতে নেই বুঝি!

নিজের জন্য কি ঘুমাতে মানা আছে!

না, তা মানা নেই। তবে মানা করারও কেও নেই

আজ রাত থেকে জাগা বন্ধ, চোখ বন্ধ করে ঘুমাবে আজ থেকে

এমন করে বললেই বুঝি ঘুমানো যায়!

না, তা জায়না ঠিকিই, কিন্তু চেষ্টা করা যেতেই পারে। আর যে চেষ্টা করে সে সফল হবেই

আপনি বললেই আমি মানব কেন?

সেটা তোমার ইচ্ছা, আমার মর্জি।

তোমার সবকিছু এমন ছন্নছাড়া আগোছালো কেন বলতে পারো!

আমার আছেটা কি, যে গোটাবো!

কমপক্ষে নিজের প্রতি একটু খেয়াল তো রাখতেই পারো… নিজেকে আয়নাতে দেখেছো ইদানীংকালে!

এটাই তো আমি, আর আয়না দেখার আতিশায্য আমি করিনা

একটু এলোমেলো গুলোকে নিয়মে বাধলে, কোন তুমি বদলে পরমহংস হবেটা শুনি!

এলোমেলোই আমার অদৃষ্টের নিয়তি

দূর এমনটা আবার হয় নাকি! তাছারা নিয়তিরও কি বদল হতে নেই!

কিছু জিনিস চিরন্তন, যার কোন বদল হতে নেই, আমার নিয়তিও কিছুটা তেমনই

যেটা তুমি ভাববে সেটাই কি একমাত্র সত্য, তার বাইরে কি কিছু থাকা অন্যায়?  তবে এটা জেনে রেখো নিয়তিরও একটা নিয়তি থাকে। সেটার সন্ধান প্রচেষ্টা না করে হাল ছেরে দেওয়াটা কি তোমার চরিত্রের সাথে খাপ খাবে!

আর চরিত্র, চরিত্রই যদি থাকত, এই মাঝরাত্রে তোমার সাথে নিষিদ্ধালাপ করতাম…

নিষিদ্ধালাপ!

হুম, যা কিছু সিদ্ধ নয় তাই তো সমাজের চোখে নিষিদ্ধ

সমাজের জন্য আমি না আমাদের জন্য সমাজ!

এমন ভাবলে লাগলে সেইদিন আর খুব বেশী দূরে নেই, যেদিন মানুষ আমাদের সমাজবিরোধী তথা বেহায়া নির্লজ্জ পদবিতে ভুষিত করবে।

সমাজ সমাজ করছো, আচ্ছা দিয়েছেটা কি, সেটা একটু বলবে?

কিছু না দিলেই বা! আমিই বা কি দিয়েছি সমাজকে? তবে সমাজকে যদি এতটুকু সুযোগ দাও, সে অপবাদ দিয়ে তোমার অস্তিত্বকে পিষে দেবে।

এতো ঋণাত্বক ভাবনা ভাবো কেন! ওই পেষণের পরেও, সেই অপবাদগ্রস্থ তুমিই একটা ভাল কিছু করো, ওই সমাজই তোমাকে নায়কের মর্যাদা দিয়ে মাথায় তুলবে

আমার প্রান্ত থেকে দেখলে আমি নিশ্চিত, তুমি এই মুহুর্তে এটাকে ছারা আর দ্বিতীয় কোন ধ্বণাত্বক ভাবনা খুঁজে পেতেনা

কারোর প্রেমে পরেছিলে নাকি!

সে আর বলে লাভ কি! প্রেম ছারা কি কোন সুস্থ মানুষ বাঁচে? কোনো প্রেম উদ্ভাষিত হয় দুটি মনের স্বতঃস্ফূর্ত মিলনে, কখনো একতরফা প্রেম নিজেই নিজের মনমন্দিরে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে সাধনা করতে থাকে, হয়তো আজীবন। প্রতিটা মানুষের জীবনই অন্যের জন্য নিবেদিত থাকে, কেও স্বিকার করে কেও করেনা। তাতে তার অভীষ্ট মানুষটিকে জীবনে লন্ধ করতে পারুক বা নাইবা পারুক, জীবন জুড়ে তার নীরব উপস্থিতি থেকেই যায়…

বুঝলাম সে বর্তমানে নেই তোমার জীবনে। আচ্ছা আবার যদি সে ফিরে আসে?

কে বললো নেই, প্রতি মুহুর্তে সে আমার সাথেই থাকে, আমার হয়েই বাঁচে

দারুণ ইন্টারেষ্টিং তো, তার নাম কি! কই একবারও তো তার নাম মুখে আনোনি আজ পর্যন্ত

কি হবে ও নাম মুখে এনে, আমার জীবনে যে আছে সেটাই কি যথেষ্ট নয়!  আমার জীবন সাজাবে বলে সে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, সে বিছানা পোশাক আর তার সংসার গুছাতে ব্যাস্ত…

তোমার এ হেঁয়ালি আমার পক্ষে বোঝা দুঃসাধ্য, বলোনা কি হয়েছিল!

সে তার মত করে বাঁচে, তার ঘর সংসার নিয়ে সে সদাব্যাস্ত। আমি আমার মত অন্য গোলার্ধে। তবে আমার আমিকে নিয়ে আমি বড় সুখে আছি

ওটা জীবনের একট দুঃখজনক কিন্তু স্বাভাবিক একটা অধ্যয়। তারপর তুমি কখনও তাকে পেতে জোর করোনি?

পরচর্চা শুনতে খুব ভাল্লাগে তাইনা?

পর ? কে পর? ও সেই তো, আমি পরই বটে…

না তুমি ঠিক পরও নও, তবে তুমি যে ঠিক কে, সেই প্রশ্ন আমার কাছে নেই। সেই প্রশ্নের সন্ধানে নিজেকে অসুস্থ করার কোন ইচ্ছাও নেই।

বুঝেছি, আমি তোমাকে বড় বিরক্ত করি। বেশ যেমনটা তুমি ভালো বোঝো।

যেদিন তুমি বিরক্ত করোনা, সেদিন আরো বিরক্ত হই আমি 

আচ্ছা, এভাবেই কি তুমি রাতগুলো শেষ করবে? একটু অন্যভাবেও তো ভাবা যায়। মানুষ নাহয় ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখে। আমরা নাহয় গোপনদ্বারে নতুন করে স্বপ্ন বুনি। স্বপ্ন হত্যি হলে জিতেগেলাম, না হলেও হারবনা। কেই বা আর জানবে এই নির্ঘুম রাতগুলোর রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা এক পৃথিবী অনুভূতির ইতিহাস। ভোরের কুয়াশা কাটার আগেই সব কিছু একদিন মহাশূন্যের গর্বে বিলীন হয়ে যাবে, সেদিনিই নাহয় চিরতরে হারিয়ে যাবে এই বেনামি সম্পর্কের বুদ্বুদ।   

তুমি আমাকে নিয়ে এতো ভাবছো কেন বলোতো? আমি নাহয় আমার কষ্টের জন্য এখানে ভবঘুরে, কিন্তু তুমি কিসের সুখে বা খোঁজে?

তুমি কি খেয়াল করেছো, মানসিক ভাবে তুমি কতটা শুকিয়ে যাচ্ছো রোজ। একটা সতেজ প্রানচ্ছোল মনে, রোজ একটু একটু করে অপমৃত্যুর দিকে ঢলে পরছে। এটাকি খুন নয়? আত্মহত্যাও তো খুন, নিজেকে খুন। এ অন্যায় 

তুমিও সেই একই ভাবনার ঘূর্ণিতে আপর্তিত হচ্ছো। আমার ভাবনাতে মাতাল, পরিষ্কার করে বলবে, কি বলতে চাও?

চোখ গুলো দেখেছো? কেমন গর্তের মাঝে ঢুকে গেছে রোজ, খাওয়াদাওয়াটাও কি ঠিকঠাক করোনা? একটা মানুষ কিভাবে এতো বেহিসেবি ভাবে জীবন যাপন করতে পারে!! হে ঈশ্বর…

কে বলছে খাই না!! খাই তো, নিয়ম মেনেই খাই। কিন্তু খোঁজ রাখে কে!!!

সারাদিন কি পথে পথেই ঘুরে বেড়াও?

কি করব? ঘরে যে থাকব সেই উপায়ই বা রইল কোথায়! যাকে নিয়ে ঘর বাঁধবো ভেবেছিলাম তাকেই যখন পেলামনা, তখন ঘরের প্রয়োজনীয়তা নেই আর। এই রাস্তাঘাটের জীবনই বা কম সুখের কি!

আচ্ছা তুমি কি বলোতো?

আমি ! হা হা হা, আমি যাযাবর

তুমি একটা উন্মাদ

হয়তো তাই

আজ এতোগুলো মাস পার হয়ে গেল, একটিবারের জন্যও আমি কি তোমার মনকে ছুতে পারেনি!

কি লাভ ছুঁয়ে! আমি যে অভিশপ্ত, অভিশপ্ত যাকে ছোঁয় সেও অভিশপ্ত হয়ে যায়, আর অভিষপ্তকে ইচ্ছাকৃত ছোঁয়া কঠিন পাপের কাজ।

তুমি নাহয় উন্মাদ, আমার জন্য কি এতোটুকুও কোন ভাবনা নেই তোমার? এতোগুলো মাস ধরে তিলতিল করে কতো স্বপ্ন বুনেছি…

কেন বুনেছো! আর ওটা তুমি নিজে সেই স্বপ্নজাল বুনেছো, এখন সেই জালে তুমি আটকা পরে গেলে আমার কি  করার আছে! আমি কখনোই তোমাকে এই কুমন্ত্রনা দিইনি

কি নিষ্ঠুর…

সেটা কি আজ জানলে!

তুমি গোটা মানুষটাই একটা মাদকতা, যে তোমাতে মজবে তার কি আর কোন নেশার প্রয়োজন থাকে। আমি তোমাতে ডুবেছি, ডুবেই চলেছি। বলোনা, কিছুই কি ভাবনা? আমি কি এতোটাই তুচ্ছ!

নিশ্চই ভাবি, তোমাকে বঁধু বেশে দেখতে চাই

কি বললে… কি বললে???? বলো বলো বলো, আবার বলো… আমি আমৃত্যু এই কথাটা শোনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। তোমাকে নিজের করে পাবার জন্য আমার ধৈর্যের কোন শেষ নেই

অতো খুশি হওয়ার কিছু নেই। আমি তোমাকে বঁধু বেশে দেখতে চাই, তোমার সংসার হোক, তোমার নামে পরিচয় পাক আগামীর প্রজন্ম।

আমি খুশি ধরে রাখতে পারছিনা…

তবে এখানে আমি একজন দর্শক মাত্র। তুমি যোগ্য একজনের সাথে ঘর বাঁধো। আমি আমার সাথেই থাকতে চাই। আমার আমি বড্ড বদমেজাজি আর একগুঁয়ে। আমি ছারা আমাকে দীর্ঘদিন সহ্য করার কেও নেই

তুমি তুমি তুমি…

হ্যাঁ আমিই… এই বাহ্যিক প্রগলভ উচ্ছলতার ভীরে অন্তরের এক সমুদ্র কষ্টকে লালন করেই আমার শান্তি।

তুমি কি নতুন করে শুরু করতে পারোনা? চলোনা, আবার যুদ্ধ করি। তুমি একা নও, আমি তোমার সাথেই আছি সমস্ত দুঃখ কষ্ট  লাঞ্ছনা একযাথে সয়ে, চুইয়ে পরা সুখের অমৃত পান করে অমর হবো। তোমাকে এভাবে অন্ধকারের দিকে আমি যেতে দেবনা। চলোনা আবার নতুন করে স্বপ্ন বুনি, ওটা না তোমার স্বপ্ন না আমার, ওটা আমাদের স্বপ্নের নক্সীকাথা বোনা হবে, শোনোনা…

কেন, এই সব ভুল বকে বৃথা সময় নষ্ট করছ! আমার জীবন আজ নির্দিষ্ট লক্ষ্যপূর্ণ, কারন অনির্দিষ্ট নিয়তি আমাকে পরিচালনা করেচলেছে সেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে। হৃদয়ের নরম পিঠে জন্ম নেওয়া রাশি রাশি স্বপ্নকে, ওর হৃদয়ের উষ্ণতা আর সোহাগ দিয়ে পাকিয়েছিলাম। আজ সেই স্বপ্নগুলো সব পচে গেছে, এক সময় তিব্র গন্ধ বিষিয়ে গেছিল গোটা শরীরটাই, সেই সময় পরম মমত্ব দিয়ে তুমি সেই ক্ষত সারিয়ে তুলেছো। 

তাহলে আমি আছি বলছো?

কখন আমি অস্বিকার করলাম, যে তুমি নেই? তোমাকে আমি গ্রহন করতে না পারলেও অস্বিকার করতে পারবনা। যতটা সত্য আমি , তুমিও ততটাই সত্য ও প্রাসঙ্গিক আমার পৃথিবীতে।

তাহলে চলোনা, আমরা …

না না না, সে হবার নেই, আমার হৃদয়ের প্রকোষ্ঠ এখন অন্তঃসারশূন্য, শুধু লাউ এর মত উপরের একটা শক্ত খোলার আবরণ রয়ে গেছে। তোমার পরশে হৃদয়ের ক্ষত সেরে গেলেও, ওই খালি প্রকোষ্ঠে এখনও কোটি কোটি বেদনার জীবাণু সুপ্ত অবস্থাতে রয়েছে, যারা আমার মৃত্যুর সাথেই তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। তোমার কামনার কাঁচা মধু ওই প্রকোষ্ঠে ঢুকতে দিলেই তুমিও আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যাবে। আমার চেতনা তুমি, আমি যে তোমাকে মারতে পারবো না। আমি তোমাকেও যে…

কি… বলো, থামলে কেন ? বলো? তুমিনা বড় অসভ্য, কথা শেষ করোনা 

কিছুনা, শুধু এটা জেনে রেখো, আমি দায়বদ্ধ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই দায় প্রতিশ্রুতি থেকে আমি কোনোদিনও পালাতে পারবোনা, তাছারা আমি চাইও না পালাতে। ওই যন্ত্রনাতেই আমার কষ্ট কষ্ট সুখ। কেও যখন কোথাও শূন্যতার সৃষ্টি করে দেয়, জানবে সেই শূন্যে তোমার অবাধে বিচরণ। এটাকে কি পাওনা হিসাবে দেখবোনা! জীবন মোটেই একমুখী নয়

না, এটা আত্মহত্যা

হতে পারে, আমরা একসাথে বাঁচার শপথ নিয়েছিলাম। সেই শপথ আমি এখনও ভাঙ্গিনি। তাহলে আজ আমি কেন পিছু হাটবো? আমার মৃত্যুর সাথেই আমার অঙ্গীকারের অস্তিত্ব শেষ হবে।

কিচ্ছু বলার নেই আমার, আমি জানিনা তোমাকে কি নামে ডাকবো। কোন সম্পর্কের বাঁধনে আমরা জড়িয়ে তারও কোন নাম নেই, হয়ত কিছু সম্পর্কের কোন নাম থাকতে নেই, থাকলে সেটা অন্যায় হত। কারন একটি শব্দে কি এই সম্পর্ককে কি বিশ্লেষণ করা সম্ভব

কোন সম্পর্কই তো নেই, তুমিও ক্ষনিকের অভিভাবক হয়ে যাও আমার, আর আমিও তোমার শাষনের শুশ্রূষাতে নিজেকে সুস্থ রাখি। তোমার মান অভিমান আবেগ অনুভুতিতেই আমার দিন কেটে যায়। তোমার থেকে দূরে থাকি, দুরে না থাকার বাহানাতেই

কিন্তু যার জন্য এই বিষাদ, এই ত্যাগ, এই বিষণ্ণতা, সে কি কিছুই জানে না? নাকি জেনেও না জানার ভান করে থাকে? তার কি কোন দায় নেই তোমার প্রতি? কেন এই উদাসীনতা!

তুমি যতদিন আমাকে দেখেছো, আমি কখনও কাওকে ব্যবহার করেছি কি নিজের স্বার্থে? যে আমাকে যাই ভাবুকনা কেন, আমি আমার নিজের কাছে অত্যন্ত নির্মল ও প্রাঞ্জল। তবে আমারও কিছু ভুল নিশ্চই আছে, তবে ভুলটা শোধরানোর চেষ্টা করছি।  একটা ভুল ঢাকতে, দ্বিতীয় কোন ভুলের ফাঁদে নতুন করে জড়িয়ে পরা অপরাধমূলক কর্ম। আমি খেদহীন মৃত্যুর খোয়াবে বিভোর, আমাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করা অসাধ্য

তাহলে আমি কি করবো, বলে দাও, আমি কি নিয়ে বাঁচবো?

তুমি হৃদয় এখনও কাঁচা, কাদার তাল। যে ছাঁচে ঢালবে সেই আকার নিয়ে নেবে। তুমি আগে নিয়তির কথা বলতে না? সেই নিয়তিই তোমাকে আগামীর পথ দেখাবে, দেখে নিও তুমিও খুব সুখী হবে। আর তুমি সুখী না হলে জেনে রেখো আমারও সুখ নেই।

এটাই কি আমাদের নিয়তি…

মেয়েটি রোজ অঝোরে কেঁদে চলে, নিঃশব্দে। ছেলেটি আকাশপানে চেয়ে কিসের যেন মিথ্যা হিসাব মেলায়, কিছু খুঁজে ফেরে আর অকারণে হেসে চলে, হেসেই চলে। শেষ রাত্রির নিঃস্বব্ধতাকে সাথী করে, প্রভাতের নরম সূর্যের মাঝে কারো হাসিমাখা মুখ খুজে বেড়ায়। দুজনেরই মনের মানুষগুলো বড় কাছাকাছি রয়েছে, তবুও তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ছকের বাইরে জীবন, অন্তহীন।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *