পুরীষ খোশনাম

সাম্য বিষয়টা কি? সারা পৃথিবীতে সর্বত্র শুধু এরই ভজনা করা হয়ে থাকে। মহাজ্ঞানীরা বলে থাকে মদের ঠেক আর বেশ্যালয় নাকি সাম্যের আঁতুড়ঘর। এই দুই স্থানে কেউ কারো জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়, বয়স ইতাদি জিজ্ঞাসা করেনা। শ্রেনীহীন, শোষনহীন, ব্যাক্তি মালিকের জবরদস্তিহীন একটা ক্ষেত্র, কিন্তু এর পরেও এর মাঝে রাষ্ট্র ও পুঁজিবাদের একটা ভয়াল ভ্রূকুটি দুই ক্ষেত্রকেই গ্রাস করে রাখে। তাহলে সত্যিকারের সাম্য কোথায়?

সাম্য একমাত্র ব্যাহ কর্মে; মানে আমরা যাকে পায়খানা-প্রস্রাব বলি। পায়খানা ও প্রস্রাব ধনী গরীব, সাদা কালো, লম্বা বেঁটে, কুৎসিত সুন্দরী, শত্রু বন্ধু, বুর্জোয়া প্রলেতারিয়েৎ, শাসক শোষিত, বুদ্ধিজীবী গন্ডমুর্খ ইত্যাদি নির্বিশেষে সকলের উদরে এই বিষ্ঠা কারখানা রয়েছে। কেউই এই বিষ্ঠা সংরক্ষণ করেনা, প্রত্যেকের গু-মুতই বিশ্রী একটা ঘিনিঘিনে ব্যাপার। নির্দিষ্ট কারো গু-মুত আলাদা করে চিহ্নিত করা যায়না। পৃথিবীতে কখনো কোথায় ব্যাহসঙ্কট নামে কোনো জরুরী অবস্থা তৈরি হয়নি, পৃথিবী বহু বিপ্লবের সাক্ষী থেকেছে কিন্তু বিষ্ঠাবিপ্লব শব্দটিও সম্ভবত আমিই প্রথব বাংলা সাহিত্যে আমদানি করলাম, যা কখনই কোনোও কালে সংঘটিত হয়নি। পাতলা পায়খানা, কোষ্ঠকাঠিন্য, বহুমুত্র, স্বল্পমুত্র ইত্যাদি লক্ষনগুলো কেউ কখনো ইচ্ছাকৃত ঘটিয়েছে বলে ইতিহাসে উল্লেখ নেই, এর জন্য নির্দিষ্ট পথ্য ও চিকিৎসকও রয়েছে। পৃথিবীতে কোথাও কখনোও গোপনে বা প্রকাশ্যে পুরীষসমিতি নামের সংগঠন গড়ে উঠেনি। অথচ মলত্যাগ আমাদের দৈনন্দিন একটা অতিপ্রয়োজনীয় শরীরবৃত্তীয় কর্ম। কেউ কখনও গেয়ে উঠেনি- “আমাকে আমার মত হাগতে দাও… আমি নিজেকে নিজের মত ছুঁচিয়ে নিয়েছি” ইত্যাদি। ‘মম ব্যাহে নিতে নৃত্যে কে যে নাচে টুপা টুপ টুপ টুপা টুপ’ বলে কেউ নাচেনি। পিকু নামে একটিই সিনেমা পায়খানার উপরে নাকি তৈরি হয়েছিল, কিন্তু আসল হিরো গুএর দেখা কখনই মেলেনি, কয়েকটি ক্ষেত্রে উচ্চারিত হয়েই রয়ে গেছে মাত্র। মলকালচার নামে যেটা বিশ্ব সমাজে গড়ে উঠেছে, তার দুর দুরান্তেও গুয়ের ছিটেফোঁটা গন্ধটুকু থাকেনা, এতবড় ধোঁকা। বিশ্বজুড়ে প্রত্যেকের মলমুত্রই এক স্থানে গিয়ে তাদের অন্তিম ক্রিয়া সম্পন্ন করে, নর্দমাতে। এখানে কবর, চিতা, কফিনের মত শ্রেণীবিন্যাস নেই। বিশ্বজুড়ে ভোগের কতশত লেখাজোখা হিসাব, ত্যাগের জন্য শুধুই মহাপুরুষ আর মুনিঋষিরা বরাদ্দ; কিন্তু আমাদের নিত্য যে ত্যাগ তার হিসাব আমরা আমমানুষেরা কখনো রেখেছি কি? আরো অনেক কিছু বক্তিমে লেখাই যেত, বড় হয়ে গেলে পড়বেনা এই ভয়ে এখানেই ভূমিকাতে ক্ষান্ত দেওয়া হল। তবে জন অনুরোধ এলে আবার এ শর্মা- কলম থুড়ি কি বোর্ড তুলতেই পারে। চলুন তাহলে বিষয়ে ফেরা যাক।   

পৃথিবীর তিন ভাগ স্থল আর এক ভাগ জল। পৃথিবীতে মোট জল গোটা গ্রহের ৭১ শতাংশ, মানে ৩২.৬০ কোটি কিউবিক মাইল পরিমাণ (৩)। এর মধ্যে মাত্র ০.৫% ই পান যোগ্য জল। ১ কিউবিক মাইল মানে ৪১৬৮১৮২০০০০০০ লিটার পরিমাণ, পানীয় জলের পরিমাণ সে তুলনাতে খুবই নগণ্য।

বন, জঙ্গল, পশু, পাখী, কীট পতঙ্গ বাদ দিলে শুধু মানুষেরই সংখ্যাই ৭৩৪ কোটিরও বেশি। শুধু জানার জন্য জেনে রেখে দিতেই পারেন যে পৃথিবীতে শুধু স্থলজ প্রানীর প্রজাতিই আছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার প্রকারের (১); আর যদি সমুদ্রের আণুবীক্ষণিক প্রানীদের গ্রাহ্য করা হয় তাহলে সেটা কম করেও ২০ লক্ষ পেরিয়ে যাবে হাসতে হাসতে(১)। বুঝতেই পারছেন জীবজন্তুদের সাথে তুল্যমূল্য বিচারে আমরা ওই ২০ লক্ষের একটি মাত্র।

তাহলে ওই পেয় জল শুধু মাত্র যদি মানুষই পান করে, তাহলে কত বছর লাগত ওই মজুদ পানীয় জল শেষ হতে সেটার হিসাব নাহয় আপনারাই করুন, এখানে জনপ্রতি দিনে মাত্র ২ লিটার জলই বরাদ্দ হিসাবেই ধরবেন যেন।   

আমাদের বেঁচে থাকা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মূলত আমাদের দু-তিনটে কাজই নিজে থেকে উদ্যোগ নিয়ে করতে হয়। বড় হওয়া, ঘুম, নিঃশ্বাস নেওয়া আর মরে যাওয়া এমনি এমনিই হয় আমাদের, মানে এর জন্য আমাদের আলাদা করে মেহনত করতে হয়না।

বাকি যেটা করতে হয় সেটা হল দু তিনটি জৈবিক কার্যের জন্য লড়াই, আর এতেই জীবন ফুরিয়ে যায়।  এর প্রথমেই আসে খাদ্য, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এটা লাগেই, পানীয় সহ; না পেলে মৃত্যু অবধারিত। দ্বিতীয় হচ্ছে যৌনতা, কৈশোর বেলার শেষ থেকে পুরুষের জন্য প্রায় শেষ বয়স পর্যন্ত ও মহিলারা শেষ মধ্যবয়স পর্যন্ত এর পিছনেই ছুটতে থাকে খাদ্যের পর। এর পর বাসস্থান, নাহলে সুস্থ থাকা যাবেনা। বাকি সকল কিছুই এর পরে পরে আসবে। কিন্তু অত্যাবশ্যকীয় নয় উপোরোক্তগুলোর মতন।

এই যে আমরা সকলে খায়, শরীর নামের মেশিনটা চালাবার জন্য, বেড়ে উঠার জন্য বা বুড়ো হওয়ার জন্য শক্তি বাবদ ক্ষয় স্বরূপ ও চর্বিরুপে কিছুটা জমিয়ে রাখা বাবদ বাদে, বাকি সকল পাচ্য ও অপাচ্য সকল খাদ্য ও পানীয় বর্জ্য রূপে এই পৃথিবিতেই সকল প্রানীরা ফিরত দিয়ে থাকি। এই বর্জ্য উদ্ভিদের কাছে খাদ্য, প্রানীদের মধ্যে কিছু নিকৃষ্ট শ্রেনী এই বর্জ্য খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে (যেমন কৃমি, গুবরে পোকা, গিনিপিগ, নেড়ি কুত্তা, শুয়োর, RSS ইত্যাদি)।

চলুন এবার ব্যাহ্যালোচনাতে আসি। শুধু মাত্র মানুষ দিনে কত পরিমাণ বর্জ্য পরিত্যাগ করে জানেন কি? একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ দিনে গড়ে প্রায় ৫০০ গ্রাম মলত্যাগ করে। যারা বেশি খায় তারা বেশি ত্যাগ করেন, সেদিকে শিশুরা অল্প খেয়ে অল্প মলত্যাগ করে গড়টা মোটামুটি একটা বিশ্বজনীন রেখে দেন। এই ত্যাগের হিসাবটা সপ্তাহে প্রায় সাড়ে তিন কিলোর মত ও বছরে ১৮০ কেজি প্রায়। যেগুলোর মধ্যে ৭০% সেমি সলিড, ও ৩০% তরল পদার্থ থাকে। মানুষ পায়খানা ঘরে যাবার ১২-১৫ সেকেন্ডের মধ্যেই মলত্যাগ সম্পূর্ণ করে ফেলেন স্বাভাবিক ক্ষেত্রে(২)। অবশিষ্ট সময়টা আসলে ত্যাগের সুখানুভুতি গ্রহণ করি।  

মুত্রের ক্ষেত্রে এটার গড় পরিমাণ প্রতি দিন প্রায় ১৫০০ মিলিলিটার (রেঞ্জ ৮০০-২০০০ মিলি)। বছরে প্রায় সাড়ে ৫০০ লিটার।

অতএব একজন মানুষের ৭০ বছর গড় আয়ু ধরে নিলে কমবেশি প্রায় ১২৬০০ কেজি মত মলত্যাগ করে। মুত্রের হিসাবটা ৩৮৫০০ লিটার মানে ১০১৭০ মার্কিন গ্যলন (৪)।

৭৩৪ কোটি মানুষ রোজ ৩৬ লক্ষ ৭০ হাজার টন মলত্যাগ করে। বছরে যেটার পরিমাণ প্রায় ১৩৪ কোটি টন। হিসুর হিসাবটা বছরে ১১০১০০০০০০০ লিটার, কথায় লিখলে  এক হাজার একশত এক কোটি লিটার ।

এই গু-মুতের বাইরে মানুষের ঘাম, থুথু, পোঁটা, পিঁচুটি, কফ, বমি, পুরুষের বীর্য, নারীর ঋতুস্রাব, ঘায়ের পুঁজ, হাজা, কান্নার জল ইত্যাদি সহ পশু পাখিদের বর্জ্য, মরা চামড়া, মৃত মানুষ, মৃত পশু, মৃত বাকি সবকিছু, কাপড় কাচা ও শরীর ধোয়ার সার্ফ-সোডা-সাবান, কারখানার দূষিত রাসায়নিক ইত্যাদির পরে আসলে পরিশ্রুত বাঁচে কতটুকু? আমরা কি পরিশ্রুত মলমুত্র বর্জ্যই খেয়ে চলেছি?

ছোট বড় সকল শহরের নর্দমাগুলোই প্রবাহিত হয়ে নদীতে এসে পরে, যা সমুদ্রে গিয়ে মেশে। খুব অল্প ক্ষেত্রেই নর্দমাগুলো সরাসরি নদীতে মেশেনা, নতুবা যারা আমরা নদীর জলে জলকেলি করি বা সরাসরি বলা ভাল যারা গঙ্গাস্নানে যায় নিজেকে পবিত্র করার অভিপ্রায়ে; তারা কিসে যে ডুব দিয়ে আসেন সেটা কেবল ভগাই জানত, আজ আপনিও জানলেন।

প্রসঙ্গত বলে রাখি, আমাদের বাতকর্মের পরিমানটাও নেহাত কম কিছু নয়, রোজ গড়ে আমরা দেড় লিটারের মত গন্ধবায়ু পরিত্যাগ করি। হ্যাঁ, মহিলারাও, ওনারা একটু আড়ালে আবডালে করেন এই যা শুধু ফারাক।

রাষ্ট্র সংঘের হিসাব মতে ২০১৮ সালেও ৬১.৩০% মানুষই পরিচ্ছন্ন ও নির্দিষ্ট স্থানে মলমুত্র ত্যাগ করেনা, খোলা স্থানে পাছায় আলো বাতাস লাগিয়ে মলত্যাগের মজাটা বোধহয় কেউ ছাড়তে চাইনা। সংখ্যাটা প্রায় ৪৫০ কোটি মানুষের খোলাস্থানে ত্যাজিত মলমুত্র, প্রত্যক্ষ ভাবে নদী নালা ডোবা হ্রদ হয়ে সমুদ্রে মেশে। ১৮০ কোটি মানুষের পানীয় জলের উৎসও এই নদ, নদী, নালা ও হ্রদ গুলিই। বুঝতেই পারছেন তৃতীয় বিশ্বে মহামারীর আগমনের কারন।  

কোলকাতা শহরে ৫৮ লক্ষ মানুষের বাস ও শহরতলীতে আরো দেড় কোটিরও বেশি। ঢাকা শহর ও শহরতলীতে সংখ্যাটা প্রায় আড়াই কোটির একটু বেশি। শুধু কোলকাতার এই ২ কোটি মানুষের রোজকার পরিত্যাজ্য বর্জ্য, মল ও মুত্রের পরিমাণ ১ কোটি কেজি মানে ১০ হাজার টন প্রায়, আর মুত্রের পরিমাণ সাড়ে ৯৪.৩৪ লক্ষ মার্কিন গ্যালন পরিমাণ। স্বাভাবিক ভাবেই ঢাকা শহরে এই পরিমানটা আরো বেশি।

সামান্য বৃষ্টিতে যখন রাস্তা ছাপিয়ে গোড়ালি ডুবো জলে ‘নাচুঙ্গি ম্যায়- ছম ছম ছম, ছম ছম ছম’ করে নাচেন, বুঝবেন ওটাতে মিশে রয়েছে শহরের নর্দমার জল; আর নর্দমার জল মানে কি পরিমাণ গু-মুত যে মজুত রয়েছে সেটার অনুমান এর পর থেকে নিজেই করে নিতে পারবেন।

১ টন মল দিয়ে ১৬ বর্গ মিটার স্থান ভরাট করে দেওয়া সম্ভব, আর দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা আয়তনে ৩০৯৪৭৩ বর্গ মিটার ফ্লোর এরিয়া। হিসাবটা হচ্ছে ১ কিউবিক মিটার মুত্র মানে ২৬৪.১৭ গ্যালন মুত্র। এবার বুঝে নিন, আমাদের কোলকাতা আর ঢাকা শহরের মুত্র দিয়েই প্রতিদিন ২৩ খানা বুর্জ খলিফা ভরে দেওয়া সম্ভব; পাশাপাশি কোলকাতা আর ঢাকা শহরের মানুষদের মলের পরিমাণ দিয়ে রোজ একখানা করে বুর্জ খলিফা বানানো বা ভরাট করে দেওয়া যাবে। একটা এভারেষ্ট বানানোও কি খুব কঠিক কিছু কাজ!

ভাবুন ভাবুন, ভাবা প্র্যাক্টিস করুন। কতটা পরিশ্রুত ও পরিচ্ছন্ন আপনি বাঁচছেন এই গুয়ে ভরা পৃথিবীতে।

পায়খানা সংক্রান্ত ফুটনোটঃ

ক) জানেনকি গু’এর ৭৫% ই জল। বাকি ২৫% মৃত ব্যাক্টিএরিয়া, খাবারের পাচিত অংশ, চর্বি, প্রোটিং ইত্যাদি।

খ) পিত্তরসের কারনেই গু’এর রঙ হলুদ বর্ণের হয়।

গ) দিনে একবার হাগু করাটাই সুস্থতার লক্ষণ। একমাত্র যুবতী মেয়েরাই এই বিষয়ে ধারাবাহিক।

ঘ) বসার অভ্যাসের তারতম্য ঘটলে আমাদের হাগুনুভুতি আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

ঙ) আমরা প্রায় প্রত্যেকেই কতটা পরিমাণ আর কি ধরনের হাগলাম সেটা একবার না দেখলে আত্মায় তৃপ্তি পৌছায়না, সেটা স্বীকার করুক বা না করুক।

চ) নীল আমস্ট্রং চাঁদ থেকে কি এনেছেন সেটা আমরা জানি, কিন্তু এটা জানিনা যে উনি প্রায় চার প্যাকেট ভর্তি ‘গু’ রেখে এসেছিলেন চাঁদের মাটিতে।

ছ) মানুষের পরিবর্তনশীল মানসিক অবস্থা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াদের প্রভাবিত করে, এর প্রভাবে আমাদের মল-সংস্কৃতিরও পরিবর্তন ঘটে দ্রুত। টেনশনে চুন হাগা আরকি-

জ) ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের স্বাভাবিক মলত্যাগের নিয়মে অনেকটা পরিবর্তন আসে।

মুত্র সংক্রান্ত ফূটনোটঃ(৫)

ক) আমরা দিনে মোটামুটিভাবে সাতবার হিসু করি।

খ) স্বাভাবিক ভাবে গড়ে আমরা ৭-১২ সেকেন্ডের মধ্যে মূল হিসি সম্পন্ন করি। মহিলাদের ৫ সেকেন্ড ও পুরুষদের সর্বোচ্চ ১৮ সেকেন্ড।

গ) আমাদের তলপেটে অবস্থিত মুত্রাশয়ে ৩০০-৫০০ মিলি পর্যন্ত তরল মজুদ থাকতে পারে।

ঘ) যৌবন পরবর্তী বয়স বাড়ার সাথে সাথে হিসুর বেগ কমতে থাকে আর পরিমাণ বাড়তে থাকে।

ঙ) অনেক মহিলাদের মধ্যে ‘হিসু করব করব’ ও ‘অকারণে হিসু চেপে রাখব’ টাইপের কিছু মানসিক রোগ এর লক্ষণ দেখা যায়।

চ) গর্ভবতী মায়েরা ‘চলন্ত মুত্র উতপাদনকারী মেসিনে’ পরিণত হয়, কারন বর্ধিত ইউটেরাস মুত্রাশয়কে সঙ্কুচিত করে রাখে।

ছ) যৌনক্রীড়া করার পর অবশ্যই হিসু করা উচিৎ, বিশেষ করে মহিলাদের তো অবশ্যই।

জ) হিসুতে প্রায় ৩০০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যদিও এর ৯৫% ই জল। বাকি ৩% ইউরিয়া ও ২% ওই ২৯৯৮ ধরনের পদার্থ, যা আমাদের শরীরের অপ্রয়োজনীয় রেচন।

ঝ) অতি চরম যৌন অনুভূতির সময়ে, বিশেষত অনেক মহিলাই প্রচন্ড বেগে স্বল্পপরিমান মুত্রত্যাগের মাধ্যমে নিজেদের চুরান্ত মানসিক যৌনসুখের (অর্গাজম) দৈহিক বহিঃপ্রকাশ করে থাকে।  

১) https://webarchive.nationalarchives.gov.uk/20121031181854/http%3A//timgostony.com/iisetemp/RetroSOS__FINAL.pdf

২) https://www.livescience.com/61966-how-much-you-poop-in-lifetime.html

৩) https://www.usbr.gov/mp/arwec/water-facts-ww-water-sup.html

৪) https://www.healthline.com/health/urine-24-hour-volume#results

৫) https://www.buzzfeed.com/zahrafbarnes/urine-luck-pee-facts

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *