বিপদ খুরোঃ শুরুর কথা

ভূমিকা

বাঙালী জাতি হিসাবে আমাদের একটা দুর্নাম আছে যে, আমরা অনুবাদ সাহিত্য তেমন পড়িনা। তাই আমাদের কাছে একজন মালায়লি বা পার্সি অথবা গুরমুখী ভাষার কবি সাহিত্যিকের খোঁজ নেই। মানছি এটা একটা বড় খামতি অবশ্যই, কিন্তু পাশাপাশি এটাও মানতে হবে, আমাদের নিজেদের ভান্ডারই এমন উপচে রয়েছে যে সেটা শেষ করতেই একটা জীবন মোটে যথেষ্ট নয়। আজকের দিনের ছেলেছোকরার দল মলাটের বই সেভাবে ছুয়ে দেখেনা। আমার মতে এটা সাময়িক কালের রোগ, নিশ্চই আবার মলাটেই ফিরতে হবে। জানিনা কেন হবে, তার ব্যাখ্যা দিতে পারবনা, কিন্তু ফিরতেই হবে। এটা আমার বিশ্বাস।

ননসেন্স কমেডির যে ধারা আমাদের বাংলা সাহিত্যে অমর সৃষ্টি করে গেছেন সুকুমার রায়, তেমনটি আর বিশ্বসাহিত্যে খুঁজে পাওয়া ভার। আমার মতে ওনার সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে সেরাটা হল সত্যজিৎ। হ্যাঁ, সত্যজিৎ রায়। ওনার চরিত্র সৃষ্টি, গল্পের বুনট, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির বর্ণনা ও শেষ পর্যন্ত টানটান ভাবটা বজায় রাখতে পারার আশ্চর্য ক্ষমতা, সেই কিশোর থেকে আজও আমাকে বুঁদ করে রেখেছে, এবং আমৃত্যু এর কোনো পরিবর্তন হবে বলে বিশ্বাস হয়না। ফেলুদা, প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু, তারিণীচরন বাড়ুজ্জে নাহয় নায়ক, কিন্তু মগনলালের নাম শুনলে আজও মনের মাঝে একটা ক্রূর ভিলেনের অবয়ব ভেসে উঠে। মানছি এর মাঝে উৎপল দত্তের অবদানও কম নেই, কিন্তু ঊশ্রীর বর্ণনা হোক, বা স্কুল পড়ুয়া ন্যপলা, ভুলো, চটপটি সুনন্দার সাথে আমরাও যেন খুড়োর আসরে উপস্থিত থাকতাম এমন মোহনীয় লেখনী শক্তি।

টুনটুনির বই পড়ে বড় হওয়া প্রজন্ম, টেনিদা, ঘনাদা সমৃদ্ধ বাঙালী কিশোরের মনে চাঁদের পাহাড়ের শঙ্কর বা কাকাবাবু- চোখটা বুজলেই প্রতিটা চরিত্র জীবন্ত হয়ে উঠে মনের আঙিনা জুড়ে। এদের সাথেই চলতে চলে কোন ফাঁকে অনেকটা বড় হয়ে যাওয়া। পড়তে পড়তে মনের মাঝে তৈরি হওয়া হরেক ধরনের আবেগ, কত শোত নতুন শব্দ জমা হয়ে উঠে মগজের ধুসর কুঠুরিতে। এর সাথে দৈনন্দিন জীবনের নানান ঘটনাপ্রবাহ গুলো যখন ওই অলঙ্কারের সাথে মননে মেশে, তখন মনের কলম সগর্ভা হয়ে উঠে। ফলস্বরূপ সেগুলো লিখে ফেলতে মন চায়। এই লেখনীর গোটা কৃতিত্বই ওই স্বনামধন্য লেখকদের অমরসৃষ্টি গুলোর বিশুদ্ধ প্রভাবে। অনেকটা ওই ধারা গুলোর মতন করেই একটা ধারাবাহিক শিশু-কিশোর সাহিত্য ধারার ইচ্ছা জন্মেছে। সাহিত্যচর্চায় লেখাও একটা ধারা বটে, সদি তা সামর্থে কুলায়। শেষ করতে না পারার একটা রোগ আমার মধ্যে বিদ্যমান, তাই কয়েকটা গল্প নিয়মিত এলেও বাকিগুলো কবে আসবে তা নিজেও জানিনা। ইচ্ছা আছে সপ্তাহে একপিস ঐ শিশু কিশোর সাহিত্যের উপযোগী গল্প লিখব। কখনও বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনে অনুবাদ সাহিত্যের উপরেও বাঙালী চরিত্র ঢুকিয়ে  বাঙালীয়ায়ন ঘটানোর ইচ্ছা প্রবলভাবেই রয়েছে।

শুরুর কথা।

আমার ছেলেবেলা কেটেছে আদর্শ গ্রামে, যেখানের সবকিছু গল্পে যেমন গ্রামের বর্ণনা করা হয় ঠিক তেমন তেমনই ছিল। প্রাথমিক স্কুলজীবন কেটেছে স্থানীয় একটা ‘ফ্লেভার্ড ইংলিশ মিডিয়াম’ স্কুলে। ওটা নামেই ইংলিশ মিডিয়াম ছিল, আদপে শৃঙ্খলা যুক্ত ইউনিফর্মড বাংলা মাধ্যম, ইংরাজিটা পড়ানো হত। চিরদিন সেটা মর্নিং ইস্কুলই ছিল। বেলা ১১টার মধ্যেই বাড়ি ফিরে যেতাম, এরপর স্নান খাওয়া সেরে দুপুর একটার আগে হাটে চলে যেতে হত। হাট মানে আমাদের তাবড় এলাকার সবচেয়ে বড় বাজার। এখানে সপ্তাহে দুদিন হাট বসত, সেখানেই এলাকার অন্যান্য যাবতীয় সব দোকান। আমাদের ছিল রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও নানাধরনের ফসলের বীজের দোকান। কেনাবেচা মূলত ভোরের পরপর ও সন্ধ্যার আগে হত। অবশিষ্ট দিনটুকুতে কিছু গ্যামাক্সিন পাওডার, কিছু কালো ফিনাইল, কখনো দানা ওষুধ ফোরেট, কার্বলিক এ্যসিড, খালি বস্তা, খালি ড্রাম বা ইঁদুর মারা বিষ বিক্রি হত। বছরে একআধা দিন আত্মহত্যাপ্রিয় মানুষ ডেমিক্রন, বা এন্ডোসিলের ১০০ এমএলের বোলতও কিনে নিয়ে যেত, মরব বলে। কি করে বুঝতাম ? ক্ষানিকক্ষণ পরেই সে ফিররিয়ে আনা হত জেকে ডাক্তারের দোকানে বিষের ওয়াস করাতে।

আমার কাজ ছিল, দোকানের গদিঘরে গিয়ে চুপ করে শুয়ে থাকা। কর্মচারী, কাশিয়ার, খাতালেখার লোক সকলেই থাকত, পালা করে খেতেও যেত, তবুও মালিক পক্ষের আমাকে থাকা, ওটাই ছিল নিয়ম। আমাদের দোকানটা পাকা রাস্তার এক্কেবারে উপরে, নিচে অনেকটা বিস্তৃত মাঠে কঞ্চি কাবারি দিয়ে অস্থায়ী চালাতে ওই হাট বসত, ছিল গোটা দুই প্রকান্ড বট গাছ। তারপর কেয়াপুকুর ও বিবির পুকুর। সেই হাটের উত্তর প্রান্তে, আমাদের দোকানের পিছনে দাদুর রেশন দোকান ও ভুষিমালের গদিঘর, খোকন কাকার মুদিখানা, গোপালের ছোট মুদিখানা, কেষ্ট ময়রার চপ-ফুলুরি-জিলাপির দোকান আর জেকে ডাক্তারের চেম্বার। আমাদের দোকানের দক্ষিণ গায়ে তপন পালের ডেকারেটর কাম ট্রাক্টরের স্পার্টসের দোকান, রামপালের ধান, আলু, পাটের আড়ৎ, বিদ্যুৎ ঘোষের হার্ডওয়ারের দোকান ও শ্যামল ছুতোরের ছোট্ট দোকান। দোকানের উত্তর পাশে কিসনো মামার চায়ের দোকান, বাবলু পালের আড়ৎ, বেচার সাইকেল সারানোর দোকান ও কালীর গুল ফ্যাক্টারি। রাস্তার উল্টোপিঠে- রসুলের খড় ও বাঁশের দোকান, মোদকদের চায়ের ঠেক, মেহবুবের স্থায়ী সব্জির দোকান, লক্ষ্মী ময়রার মিষ্টির দোকান, অনন্তর পান-বিড়ির দোকান, ধলার চায়ের দোকান, বমুর কামারশালা, সত্যমিস্ত্রির ফার্নিচারের দোকান, চঞ্চলের মনিহারী, ভাগনের ইস্ত্রি, ছোট খোকার কাপড় সেলাইয়ের দোকান, পরেশের ট্রেলার, রতন মাতালের ছোট মুদিখানা ও পচা নাপিতের সেলুন। গোটাটা মিলে বিবির হাট।

বৈকাল হলে এলাকার যত শ্রমজীবী মানুষ মানে যারা জমিতে শ্রম দেন তাদের জমায়েত হত আমাদের দোকানের সামনের খোলা চত্বরটাতে। তেমনই যাদের জমিতে আগামীকাল মুনিষ লাগবে, তারাও সেই সন্ধানে আসতেন টুকটুক করে বিকাল বেলাতে। ধলা বা কিসনোর দোকানে চা ও কেষ্ট ময়রার দোকানের ফুলুরি খেয়ে এভাবেই সন্ধ্যে নামত রোজ। নাঙল ওয়ালা, ট্রাক্টর ওয়ালারাও সে দলে থাকত। সারের দোকানের সামনে এই সঙ্গমটা যেন স্বাভাবিক নিয়ম ছিল, যেখানে সার কিনব সেখানে মুনিষও পাবো। যার জন্য আমাদের রোয়াকে সারাদিন ভিড় থাকত, যার কাজ জুটিনি সে যেমন সারাদিন কাজের প্রতীক্ষাতে বসে থাকত, আবার যার উপযুক্ত লোক জোটেনি সেও বসে থাকত। এছাড়া কোলকাতার দিকে যেসব সব্জি বা ফলপাকুর যেত, গঙ্গার ধারের বা অন্য জমি থেকে এনে ওই আমাদের দোকানের সামনেটা বা আশেপাশেই সেগুলো ঝাঁকা বন্দি হত। তাই কখনো সেই অর্থে শশা, কাকুড়, রঙাআলু, ভুট্টা বা বাদাম কিনে খেতে হয়নি। এমনিতেই দিত। কারন ওই চাষীরা সময়ে অসময়ে আমাদের দোকান থেকে ধারে সার কিনত, তাই খুশি করার চেষ্টা বা কৃতজ্ঞতা যা বলবেন।

দুপুরের বিবিরহাটে প্রতিটি দোকানই খোলা থাকত, কারন সন্ধ্যার পর আর খুলে রাখার জো ছিলনা বিদ্যুৎহীন এ অঞ্চলে। প্রায় প্রতিটা দোকানেই আমার সাইজের হয় মালিক পুত্র বা শিশুশ্রমিকের দল দোখান পাহাড়া দিত। উত্তরপুরুষকে ব্যাবসা শেখানো ও ওতে অভ্যস্ত করা এ এক দুর্দান্ত পন্থা। ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলেপিলেকে জেনে বুঝেই এ অঞ্চলে এটা করানো হত। দুটো হাটবার ভিন্ন বাকি পাঁচ দিন সকলে মিলে যতধরনের খেলা বাজারে আছে সব ধরনের খেলা সেখানে হত বলে পাড়ার ছেলেপুলের দলও সেখানে ভিড় জমাতো স্বাভাবিক ভাবে।

তখন আমার ওই ৭-৮ বছর বয়স। আমাদের রোয়াকের লাল শানবাঁধানো উঁচু বেঞ্চি মতনটাতে একজন মানুষ এসে বসতেন। কিছুদিনের মধ্যেই ওনার সাথে ভাব জন্মে গেল আমাদের। ভন্যি দুপুরে, একটা আটানা সাইজের মিষ্টির সাথে এক জামবাটি ভর্তি রস নিত, তাতে বাসি পাউরুটি চুবিয়ে খেয়ে বাকি রসটা চুমুক দিয়ে খেতেন। ছ ফুটের উপরে পেল্লাই লম্বা ও ভুঁড়ি বিহীন কিন্তু পালোয়ানের মত দশাসই চেহারাতে ধুতিটা হাটুর সামান্য নিচে থাকত। হাফ হাতা ঘিয়ে রঙের টেরিলিনের ফতুয়ার নিচে থাকত সুতির সেলাই করা মেরজাই, ওরই পকেটে টাকাকড়ি থাকত। রোদে পড়া তামাটে বর্ণের চামড়াতে বলি রেখার ছাপ ছিল স্পষ্ট, কপালের উপরের চার আঙুলের টাকের পর শুরু হওয়া লম্বা শনের মত ময়লা সাদা চুল কাঁধ পর্যন্ত ছড়ানো। বাম কানে মাকড়ী, নস্যি টানা নাকের নিচে পাণ্ডুর বর্ণের মাছি গোঁফ, আর সকল সময় কয়েক দিনের না কামানো সাদা খোচাখোচা দাঁড়ি। হাতে ও বুকের লোমও অনেক বড় বড় ও পাকা। পায়ে থাকত কালো শক্ত চামড়ার পাম্পস্যু মত। হাতে পুরাতন বড় ডায়ালের HMT ঘড়ি, চোখে চারকোনা ডান্ডি ভাঙা কালো ফ্রেমের চশমা।

যেদিন ঢুকতেন তিনি, সেদিন বেলা ১০টার মধ্যেই রোয়াকের হেলান দেওয়া অঞ্চলে আস্তানা গাড়তেন। এরপর অনেকক্ষণ ধরে খবরের কাগজ মুখস্ত করে, চায়ের দোকানের আলাপচারিতার একনিষ্ট শ্রোতা ছিলেন তিনি। বড়দের সাথে কাজের বাইরে তেমন কখনো ওনাকে কথা কইতে দেখিনি।

উনি বলতেন ওনার বাড়ি নাকি কোলকাতার বাগবাজারে। নবদ্বীপ অঞ্চলে ওনার পূর্বপুরুষের বাস ছিল, সেই সুত্রে অনেক জমিজামা রয়েছে। এগুলোর চাষ ও ফসল তোলার তদারকির জন্য মাঝে মাঝেই আসতেন তিনি, টানা ৪-৫ দিন করে থাকতেন। বয়স্করা দুপুরে খেতে গেলে, দুপুরের ওই দু আড়াই ঘন্টার নিশুতিক্ষণে জমে উঠত ওনার গল্পের আসর, শুধু মাত্র ছোটদের সাথে। ওনার আসল নাম কিছিল জানিনা, বৃদ্ধরা ওনাকে সামন্ত আর ছোটোবয়সীরা বিপদখুড়ো বলেই ডাকতেন। সকলের খুড়ো, বাবারওখুড়ো আমাদেরও খুড়ো। উনি সর্বদা কৃষ্ণনগর হয়ে এখানে আসতেন, অথচ আমাদের কাটোয়া লাইনে সমুদ্রগড় ষ্টেশন আছে, আসাটাও সোজা। শুধালে বলতেন – ওরে, নবদ্বীপকে পেরিয়ে আসার সুখ তোরা কি বুঝবি, সেটা কৃষ্ণনগর থেকে বাসে এলে তবেই সম্ভব।

হাড় কৃপণ বিপদখুড়ো মানে ওই সামন্ত আর কি, কখনো দামি কিছু জিনিস খেতোনা। তবে আমাদের মাঝে মাঝে পেয়ারা, জাম, কামরাঙা, শীতকালে পাটালির টুকরো এনে খাওয়াতেন। ওনার বয়স কত সেটা ঠাওর করা সেই সময় আমাদের পক্ষে খুবই মুশকিল ছিল, এখনকার উপলব্ধিতে সেটা ওই ষাঠের আশেপাশেই হবে, কিন্তু ওনার অফুরন্ত আজগুবি গল্প মোতাবেক সেটা ১০০ ছাড়িয়েছে বহুবার। আমার দাদুকে উনি নিজের বন্ধু হিসাবে পরিচয় দিলেও ওনাদের কখনো সদ্ভাব দেখিনি, দাদু ওনাকে বিশেষ পাত্তাও দিতনা। গাঁয়ের মানুষেরাও তেমন গুরুত্ব দিতনা ওই অসীম কৃপনতার বাদান্যতায়।

অর্থনৈতিক ভাবে তিনি অতটা কৃপণ ছিলেন, আজগুবি গল্পে তিনি ততটাই উদার। শুরু করলে তার সময় ও ঢপের  মাত্রাজ্ঞান থাকতনা। অনেকে ওনাকে টিটিকিরিও দিত, যে বুড়োটা কচিগুলোর মাথা চেবাচ্ছে। ওই বিচিত্র গল্প শোনার এক দুর্নিবার নেশা ছিল আমাদের। আমাদের রোয়াকের সামনের বিরাট শিরীষ গাছের ছায়াতে, চটের বস্তা পেতে বসে, গামছা দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে, কখনো সখনও শশা, কাঁকুড়, শাঁকআলু, কাঁচা গাছমুসুরি বা কাঁচা গাছছোলা, রাঙাআলু, ইত্যাদি খেতে খেতে চলত ওনার জীবনের নানা কাহিনী বর্ণনা।

আমি ছাড়াও, পোসুন, ঝুলন, নুরু, ছামু, বুড়ো, পুঁটে, নান্টু ছিলাম নিয়মিত সদস্য। এছাড়া ছেনো, গুপি, পচা, ন্যাড়া, বুদো, পাঁচু, তিনু, নাড়ু প্রমুখেরাও মাঝেমাঝে যোগ দিত এ আসরে। খুড়োর আজগুবি, অদ্ভুতুড়ে, হাস্যরসাত্বক, রহস্যরোমাঞ্চ, কল্পবিজ্ঞান, ঐতিহাসিক কত গল্প যে স্টকে ছিল তার ইয়াত্তা ছিলনা। সাথে ছিল নিজস্ব আলঙ্করণ আর ভূমিকা সহযোগে সেটা গুছিয়ে বলার ক্ষমতা, কাঠ হয়ে শুনতাম সে সব গল্প। তাৎক্ষণিক সে সব অবিশ্বাস করার কোনো শক্তি ছিলনা, থাকলেও সে যুক্তি ধোপা টিকতনা। মাঝে মাঝে ওনার ঝুলি থেকে গল্পের সত্যতা প্রমানে নানান প্রামাণ্য নমুনাও দেখাতেন।

আগামীতে আমি ওই গল্প গুলোকেই উপস্থাপনের চেষ্টা করব, ঠিক যেভাবে উনি বলতেন, তার সাথে জুড়ব আমার কল্পনার সঙ্গত।

…ক্রমশ

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *