#আমারছাত্রজীবন

#অকপটইভেন্ট

পর্যালোচনা ও মত বিনিময়ঃ পাঠক, লেখক ও পরিচালকমণ্ডলী

(১)

প্রথমেই সকল অকপটুকে অকপট শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমাদের এই ইভেন্টে ‘আপনারা’, সাহিত্যমনস্ক  সাহিত্যমনষ্ক সুধীজনেরা যেভাবে উৎসাহ প্রদান করে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, তা যথেষ্ট সাধুবাদের যোগ্য। ছিদ্রান্বেষীরা হয়ত বলবেন- মাত্র তো শ’খানেক লোকের উৎসাহ, এদিকে ৪২ হাজারের গ্রুপ। ওনাদেরকেও শুভেচ্ছা জানিয়েই বলি- কাশ্মীরি আপেল খুব নগন্য কিছু মানুষই স্বাদ গ্রহণ করতে সক্ষম, বাকিদের জন্য থাকে হিমাচল বা বিলাতি কুল। সুতরাং Class আর Mass এর ফারাকটা থাকবেই, আমাদের সমাজটাও এমনই।

যে সকল মহান লেখকেরা আজকের দিনে বই লেখেন, কলেজস্ট্রিটের শতাধিক বইয়ের দোকানে, কোটি খানিক বইয়েই লিস্টের ‘একটা’ হয়ে সেলফে শোভা পায়। বিজ্ঞাপনে দড় না থাকলে মুষ্টিমেয় কয়েকজন ছাড়া  বাকিরা কেউ জানবেইনা আপনার একটি বই রয়েছে। সেখানে ফেসবুকের স্বায়ীত্বকাল কম হলেও পৌছায় অনেক মানুষের কাছে। ১০০ জন কমেন্ট করছে মানে, অন্তত ১০ গুণ বেশি মানুষ সেটা পড়ছেন। শেষ এক মাসে অকপটের ‘রিচ’, মানে যতজন কোনোনা কোনো পোষ্ট পড়েছেন সেই সংখ্যাটা ২১০০০ এরও বেশি। অধিকাংশই ফেসবুকারই নিঃশব্দ শ্রেনীর পাঠক, তাই লাইক কমেন্টের অঙ্কে সেটা গণণা করা যায়না।

(২)

ইভেন্টের নামে আসলে হচ্ছেটা কি!

আমাদের বর্তমান ইভেন্টের নাম #আমারছাত্রজীবন। আমাদের জীবনকে ভাগ করলে শৈশব, কৈশোর, যৌবন ও বার্ধক্য যেমন আসে; তেমনই শিশুকাল, ছাত্রজীবন, কর্মজীবন, সংসারজীবন, ও অবসরজীবন এভাবেও  ভাগ করাই যায়। আমাদের ইভেন্টের নিয়মের ৬ নং পয়েন্টে ( https://www.facebook.com/groups/jukti.tokko/permalink/2898687583690780/ ) বলা হয়েছিল লেখকেরা এক বা একাধিক গল্প জমা দিতেই পারেন। জীবনের নানান অধ্যোয়ের, সাধ্যি কী একটা লেখাতে সমস্তটা প্রকাশ করা। এছাড়া গল্প কী একটা আধটা! কিন্তু, আমাদের পরিচালকদের তরফে, ইভেন্টের নিয়মনীতি বোঝাতে কিছুটা অপূর্ণতা রয়ে গেছে সম্ভবত। হয়তবা, আমরা লেখকে-পাঠকেবৃন্দ কেউ কেউ নিয়ময়াবলীটা উপেক্ষা করেছি কিম্বা ভুলে গেছি।

আমাদের বর্তমান ইভেন্টের বিষয় ‘ছাত্রজীবন’ শীর্ষক, মোটেই শুধু ‘স্কুলজীবন’ নয়। এখন, ছাত্র জীবন মানে ঠিক কতটা? প্রাথমিক স্কুলের শৈশব, হাইস্কুলের দুরন্ত কৈশোর, যৌবনের কলেজ-ইউনিভার্সিটি নাকি বেকার জীবনের কোচিং জীবনটা? এতো গল্প লেখা, একসাথে এই অল্প পরিসরে সম্ভবপর নয় কোনো মতেই। ইভেন্টের প্রথমদিকের গল্পগুলো আমাদের স্কুলজীবনের নস্টালজিয়া মাখা অপূর্ব সব ‘সময়ের আখ্যান’ বর্ণিত। এতেই হয়ত ধারণা হয়েছে ‘ওটাই’ বোধহয় বিষয়। ছাত্র জীবন কী সতিই ওইটুকু? আমাদের সকলেরই জীবনে প্রেমে এসেছে, তা একপাক্ষিক হোক বা উভয়পাক্ষিক। তার বর্ণনা থাকবেনা কারো ছাত্র জীবনে? উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর সব কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী প্রেমে পরেছে; কেউ প্রকাশ করেছে, কেউ করেনি; এটাই ফারাক। এমন গল্পগুলোই আমরা পরিচালকমণ্ডলীরা চাইছি, এরসাথে বর্ণপরিচয়, নামতা, জল আইসক্রিম বা কুলের আচার সমৃদ্ধ বিবরণগুলো আমাদের অনন্ত সুখের কারন। কিন্তু এগুলো আমাদের সকলের জীবনের একটা Common ঘটনা, কিছু ব্যাতিক্রমী ঘটনা বিবরনী কি থাকতে নেই স্কুল জীবনের নস্টালজিয়ার সাথে সাথে। আপনি না লিখলে কীভাবে আমরা পড়ব বা জানব?

কারো হয়ত গোটা গল্পটা তার ‘ক্রাশের’ উপরে, ক্ষতি কি। ছাত্র জীবনে অনেকে ছেলে রবীনা ট্যান্ডন, মাধুরী, ঐশ্বর্যা বা মেয়েরা শাহরুখ, ইন্দ্রকুমার, বা কমল সাদনার প্রতি যাচ্ছেতাই রকমের আকৃষ্ট ছিলাম। এগুলো নিয়ে ছাত্র জীবনের গল্প সাজতে দোষ আছে? লেখক ওটুকুর গল্পই আমাদের পড়ালেন নাহয়! আলিপুর থেকে আলিপুরদুয়ার, বা সিলেট থেকে চিটাগাং- পঞ্চম শ্রেনীকক্ষের অন্দরের পরিবেশ কি কোনো স্কুলে আলাদা?  শ্রেনীকক্ষ বা স্কুলের ভিতরের পরিবেশ রকমফেরে প্রায় সবই এক, আমরা তাই জীবনের গল্প চাইছি। প্রতি ছাত্রের জীবনের গল্প আলাদা। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের ছত্রে ছত্রে গল্পের ভাণ্ডার লুকিয়ে আছে জীবনের চলার পথে।  শিক্ষিত শ্রেনী বিনে লেখক বা পাঠক হয়না, উচ্চডিগ্রি আর উচ্চশিক্ষা এক নয় এটা আমার বিশ্বাস।

@debes দাদার কথায়- “অনেকের ধারণায় ছাত্রজীবনটা শুধু বয়সের হিসেবে স্কুল আর কলেজের মধ্যেই হয়ত সীমাবদ্ধ। পাঠককুলের এ ধারণা প্রসারিত করা আশু প্রয়োজন। এই পিরিয়ডেই ধ্রুপদী জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি জীবনের প্রাথমিক পাঠ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন, ব্যক্তিত্বগঠন তথা সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর বিকাশ ঘটে। Student life is the seed-time and formative period of life… সোজা কথায়- আজকের আমি যা কিছু, আমি যেমন রকম, সব’ই যে আমার অতীতকালের ছাত্রজীবন দ্বারা প্রভাবিত; এই বেসিক জিনিসটা এখানে অনুজ্জ্বল থেকে যাচ্ছে”।

একটা উদাহরন দিই

আমাদের অন্যতম এডমিন @tanmay haque এর সহোদরা সালমা কুহেলি হক (সে অকপটে নেই, তবে ছিল এক সময়-), সে ছাত্রাবস্থাতে ভিনধর্মী ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। অতঃপর প্রচুর সামাজিক ঝঞ্ঝা কাটিয়ে ১০ বছর চুটিয়ে সংসার করে, দুটো বাচ্চার মা হয়ে, আবার তার পড়াশোনা করার শখ যায়। বলা ভাল পড়াশোনার শখটা কখনই মেরে ফেলেনি অন্তর থেকে। সংসার, স্বামী, বাচ্চা, রুষ্ট সমাজ সকলকে সামলে সে পড়াশোনা চালিয়ে যায়।

আজকে এই দুর্মুল্যের বাজারে মাত্র কয়েকমাস আগে সে সোনারপুরের একটি সরকারী ইস্কুলে চাকুরী পেয়েছে। সে যদি কখনও নিজের ছাত্রজীবনের গল্প লেখে; সেখানে প্রেম, সমাজকে উপেক্ষা, সন্তানের জন্মদেওয়া এবং আবার পড়াশোনাতে ফিরে আসা ও চাকরি পাওয়া, সিনেমার মত মনে হবেনা কী? এখন কেউ যদি বলে – “ধুর, ছাত্র জীবনের গল্প কই!’ তা বড়ই আক্ষেপের হবে। আসলে তার গোটা ছাত্র বা বলা ভাব ছাত্রীজীবনটাই তো সংগ্রামের গল্প। সে ভাল ছাত্রী, ফার্ষ্ট ক্লাস পেয়েছিল মাস্টার্সে, এই গল্পের কাছে, ওই প্রফেসর স্বামীকে নিয়ে ১০ বছরের সংগ্রাম করে চাকরি পাওয়ার গল্প কোনটা আকর্ষনীয় সেটা পাঠককে বিচার করতেই হবে।

কেউ তার জীবনের সাহসিকতার কল্প বলবে, কেউ দুরন্তপনার গল্প। আমার পরিচিত এক ছেলে তার চেয়ে ৯ বছরের বড়, কলেজের কেমিস্ট্রি ম্যাডামকে প্রেমে ডুবিয়ে বিয়ে করে সুখী সংসার যাপন করছে। কেউ ক্লাস সেভেনে পড়া ছেড়ে কর্মজীবনে চলে গিয়ে আবার সোজা মাধ্যমিক দিয়ে ছাত্রাবস্থাতে ফিরেছে, এমন উদাহরনও অনেক। আমাদের কিয়ামুল ভাইয়ের জীবন কাহিনী অত্যন্ত আকর্ষনীয় ও প্রসংসনীয়, সে প্রতিযোগিতার জন্য গল্প লিখছে বলে সে কাহিনী এখানে বল্লামনা। যাই হোক, আপনাদের ইভেন্টে আপনারা নানা রঙের, নানা রসের লেখা পড়তে পাবেন। বৈচিত্র আসবে, পাঠ্যসুখ পাবেন এটার দায়িত্ব নিতে পারি।   

(৩)

লেখকদের জন্য

একটা নামি ফেসবুক সাহিত্য গ্রুপে এদিন দেখলাম সেখানে লেখার বদলে ভিডিও আসছে, মানুষ পড়ছেনা, শুনছে। এ কোন দিকে চলেছি আমরা? কথাতেই আছে পড়াশোনা, আগে পড়া তারপর শোনা। অকপটের অতীতের, বর্তমানের ও আগামীর যাবতীয় ইভেন্ট তথা প্রতিযোগিতাগুলো, সবেরই লক্ষ্য নিখাদ পাঠক ও লেখকের রসায়ন তৈরির জন্য। তাতে এদিক ওদিক মিলে দুজন দুজন করে থাকলেও, ওতেই আমরা থাকব। লেখকেরা সে অর্থে কেউ পেশাদার নয়, তাই আমাদের ভুলভ্রান্তি থাকবেনা তো প্রতিষ্ঠিতদের থাকবে? পড়তে পড়তেই লেখার সাধ জন্মায়, মনের ভাব কলমে প্রকাশ পায়। অকপট সেই ক্ষেত্রটা প্রস্তুত করে দেয়, বা ‘ভাবে ভর্তি মনবেলুনে’ টোকাটা দেয়, ব্যাস; লেখা বেড়িয়ে আসে। এ লেখা লিখে পেটের ভাত জোটেনা, পরনের কাপড়ও নয়; মনের সুখ জোটে, নির্মল আনন্দ। প্রতিযোগিতাটা একটা রূপক, নতুবা শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তীতা থাকবেনা।

আমরা এই স্মৃতিচারনের মঝে যে মানসিক সুখ গুলো পাচ্ছি, সেটাই কি পুরষ্কার নয়? পাঠকদের প্রত্যেকের দৃষ্টিকোণ আলাদা, তাঁরা তাদের মত নাম্বার দিচ্ছেন। কেউ ২ দিলে আমার সুখ কমে যাবেনা, আবার ১০ দিলে আমার কষ্টের স্মৃতি আনন্দের হয়ে যাবেনা। সবটাই যাকে বলে state of minds। আমাদের অনেকেই আছি, এমন সব ইভেন্ট গুলো না হলে হয়ত কখনও লেখাই হতনা নিজের গল্প গুলো; ‘আমার’ অপটু হাতে লেখা আমারই জীবনের গল্প অন্যেরা কত সুখ নিয়ে পড়ছে এখানেই কী জেতা হয়ে যাচ্ছেনা? তাই লেখকদের অনুরোধ করব নিজের জন্য লিখুন, জীবনের কথা লিখুন। মন খুলে লিখুন। অন্যরা কে কত নাম্বার পেল বা দিল সেটা আরেকটা ইভেন্ট এলেই সকলে ভুলে যাবে, কিন্তু আপনার জীবনের কোনো বিশিষ্ট ঘটনা থাকলে, সেটা মানুষকে আপনার লেখনী মাধ্যমে relate করাতে পারলে পাঠক বহুদিন আপনাকে স্মৃতির মণিকোঠাতে রেখে দেবে।

লেখাটা একটা অভ্যাস, এই অভ্যাসের সলতেতে ঘি দেওয়াই অকপটে লক্ষ্য। যাতে আগামীতে আমাদের মধ্য হতে ‘গল্প কইয়ে’রা উঠে আসেন। দু লাইনের ফেবু স্ট্যাটাস লেখক, বা চার লাইনের দুর্বোধ্য কতগুলো শব্দ সাজিয়ে স্তুপ সাজানোকে কবিতা বলে চালানো ‘আমি’ যখন এতটা লম্বা লম্বা গদ্য/গল্প/প্রবন্ধ লিখে ফেলছি, তখন কি একটুও উৎফুল্লিত হচ্ছিনা? এই অভ্যাস চলতে থাকলে আগামীতে যে কোনো ভাবনা সাদা কালোতে অন্যদের জানাতে পারব অনায়াসে, তখনই অকপটের এই প্রয়াস সফল হবে। ক্লাসে কেউনা কেউ ফার্ষ্ট একজনই হয়,  তাবলে বাকিরা পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়?

যারা ইতি মধ্যে গল্প দিয়ে দিয়েছেন জীবনের একটা অংশের, তারা অন্য গল্প গুলোও পাঠাতেই পারেন, যদি লেখার সময় ও মানসিকতা থাকে। নিজেকে লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করে, জীবনের গল্পটা শেয়ার করে দিন অকপটে। আমাদের অকপট পরিচালকেরা কত গোছালো ভাবে পরিচালনা করছেন প্রতিদিনের পর্বগুলো, তা যথেষ্ট  প্রশংসনীয়। আপনার লিখতে থাকুন প্রাণখুলে।

(৪)

পাঠকদের জন্য

আমরা একটু বড় লেখা এলেই আর পড়ে উঠতে পরিনা, এই ইভেন্ট আমাদের অনেককে পড়তে শেখাচ্ছে। আগামীতে আমরা বড় লেখা পাঠ করার জন্য অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি, এটাই অকপটের লক্ষ্য। ধৈর্য ও মননশীল পাঠক সমাজ তৈরি করা।  টি-২০ আর টেষ্ট ম্যাচের ধ্রুপদী ব্যাটিং এর দর্শকদের পার্থক্য থাকবেনা? এই যে আপনারা নিয়মিত পড়ছেন, সাবাশি দিচ্ছেন; লেখকেরা কত উৎসাহিত হচ্ছেন মনে মনে, সেটা যদি ওনাদের প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া হত, তাহলে ধন্যবাদের কমেন্ট বক্স ভর্তি হয়ে যেত নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়। আমাদের পাঠকেরাই লেখককে তৈরি করি- সমাদর, পর্যালোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে।

প্রতিটি দৈনিক পত্রিকাতে পুস্তক সমালোচনা নামের একটা বিভাগ থাকে, যেখানে জ্ঞানীগুনি মানুষেরা সহ সাধারণ পাঠকদের দলও চিঠিপত্র বা আজকের ইমেল মারফৎ তাদের মতামত জানাতে থাকেন। সিনেমারও রিভিউ হয়, তারণ আদর্শ যাদের অন্যতম সমালোচক সেলেব। ক্রিকেটে হার্ষা ভোগলে ধারাবিবরনী শোনানোর সাথে সমালোচক ও পর্যালোচকও বলে।

এখন এই সমালচনা বা পর্যালোচনাটা করতে গেলে বেশ অনেকটা দায়িত্ব নিতে হয়। খুটিয়ে পড়ে, বিষয়টা বুঝে সেই মত মন্তব্য করলে তবেই সেটা কার্যকর হয়। কিন্তু আমরা দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে অনেকটা এড়িয়ে গিয়ে দায়সারা ভাব দেখালে, গোটা ভাবনাটার প্রতি অসম্মান প্রদর্শিত হয়, সেখানে অনেক মানুষ আত্মিক ভাবে জড়িত।

তাই আমরা আগামীতে positive মানসিকতা নিয়ে সবটা বৃহত্তর দৃষ্টিতে দেখব, পড়ব, বুঝব ও কমেন্ট করব। আপনাকে কেউ বলছেনা যে আপনি বেশি বেশি নাম্বার দিন। যেটা আপনার যোগ্য মনে হবে সেটুকুই দিন, তবে অন্যে ৬ নাম্বার দিয়েছে মানে আমিও ছয়’ই দেব এটা যেন না হয়। আপনার বিচারে হতেই পারে সেটা ২ এর উপযুক্ত, বা ১০ এর মানের চেয়েও বেশি।

আপনারাই প্রাণভোমরা, আপনাদের জন্য সিনেমা, নাটক, থিয়েটার, যাত্রা, উপন্যাস লেখা হয়। প্রতিটির কেউ না কেউ লেখক থাকে, আর লিখতে লিখতেই লেখক হয়। মাতৃগর্ভ থেকে কেউ স্বনামধন্য হয়ে জন্ম নেননা, হলে তিনি একটিই উপন্যাস লিখতেন আর সেটাই নোবেল, জ্ঞানপীঠ বা আনন্দ পুরস্কার পেত। আপনারা একটা চারাগাছকে পরিচর্যা করে আগামীর মহিরূহ করে তুলবেন, উৎসাহ প্রদানের ক্ষেত্রে, ভুলত্রুটি গুলো ভালোবাসা, মমত্বের সাথে ধরিয়ে দিয়ে। তবেই না আমাদের লক্ষ্য পূর্ণ হবে। একটা অকপট শিক্ষিত সমাজের লক্ষ্যে আমরা বদ্ধপরিকর।

-ধন্যবাদান্তে

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *