মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়

ছবিতে মেলানিয়া ট্রাম্পকে যিনি উত্তরীয় পরাচ্ছেন ওনার নাম কার্তীকেয় সারাভাই, মেহুল সারাভাইয়ের বাবা। মেহুল সারাভাই কে? তিনি হচ্ছেন কোসারা ডায়াগনস্টিকসের ডাইরেক্টর তথা মালিক।

আহমেদাবাদের এই ‘কোসারা ডায়াগনস্টিকস’ কোম্পানিকে কোভিড ১৯-এর জন্য টেস্টিং কিট সরবরাহের একচেটিয়া অধিকার দিয়েছে ভারত সরকার, একটি আদেশ জারি করে জানিয়েছে যে কেবল USFDA বা EU অনুমোদিত টেস্টিং কিট ব্যবহার করতে হবে যেটা ওই কোসারা ডায়াগনস্টিক এর আমদানি করা।

ভয়ঙ্করতম আশ্চর্যজনক ভাবে পুনের NIV কে বাদ রাখা হয়েছে, যে সংস্থার পুরোনাম ন্যাসানাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি, এর পরিচালক ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ওফ মেডিক্যাল রিসার্চ। এ যাবৎ এরাই এই ধরনের কীট গুলো আমদানি ও অনুমোদন করত। রাফালে অনিল আম্বানীর মত কেস। যেখানে হ্যালকে বাদ দিয়ে রিলায়েন্স বরাত পেয়েছিল।

আহমেদাবাদের এই কোসরা কোম্পানির বয়স এখনও ২ বছর গড়ায়নি, অথচ এই ভয়নক মহামারী পরিস্থিতিতে তারাই মোটাভাই-মোদীর সৌজন্যে একচেটিয়া দায়িত্বে। ভাবুন আচ্ছেদিন কার এলো, বিকাশ কার হচ্ছে। আপনাকে থালা বাজাতে বলে সরকারী সংস্থাকে অন্ধকারে রেখে, আরেক গুজরাতির ঝুলি ভর্তি করে দিচ্ছে এমন বিশ্বজোড়া সঙ্কট পরিস্থিতিতেও।

বাহ, মোদীজি বাহ।

কেন হাসপাতালগুলোতে কিট নেই নিশ্চই আর শুধাবেননা, আপনি ভক্ত হলে এই ছবিটা চেঁটে নিয়ে GO CORONA, ও জয় মোদীজি বলে থালা বাজালেই নিরোগ থাকবেন।

জানি আপনি আমি আর চমকাইনা, আরো একটা ঘটনা জেনে রাখুন, গত ১৯শে মার্চের আগে গর্ভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া কোনো রকমের সার্জিক্যাল মাস্ক বা ভেন্টিলেটর এর অর্ডার ই দেয়নি করোনা মোকাবিলায়। মানে এই বিশ্বত্রাস করোনাকে মোটেই সিরয়াসলি নেয়নি মধ্যপ্রদেশে সরকার ফেলে শিবরাজকে গদিয়ে বসাবার নেশায়। আপনি বলবেন- ‘মোদীজিনে কিয়া, তো আচ্ছা কেলিয়ে হি কিয়া”। জেনে রাখুন এটা একটা ষড়যন্ত্রমূলক ক্রিমিনাল অপরাধ। আপনি থালা বাজান।

এটা জাতির জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ, দালাল গুলো গুজরাতীদের থেকে কাটমানি খাবে বলে নিলামে চড়িয়ে দিয়েছে দেশবাসির জীবন।আশা করিনা সরকার স্পষ্ট করে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সংশোধন করবে।

এটি একটি জীবন এবং মৃত্যুর প্রশ্ন, বাঁচলে নিজ বরাত জোরে।

আপনি কোনো রাজনীতি করবেননা, শুধু জপুন- ‘কেমছো, মাজামা’!!

#তন্ময়_হক Tanmay Haque
https://m.timesofindia.com/…/i…/amp_articleshow/74765890.cms

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *