পরকীয়া

প্রতিবার আশার কিরণে চরাচর ধুয়ে যায়,

প্রতিবার দু জোড়া অধরের লালাময় সংলাপ;

প্রতিবার ফিরে যাওয়া সেই অলীক প্রণয়ে,

নিঃশ্বাসে আস্থার বিষ, নিস্পৃহ রমনের উত্তাপ।

বারেবারে ছুটে যাওয়া কী অমোঘ টানে,

সোহাগের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জ্বলে ভালবাসার রাগ;

পেলব বক্ষদ্বয়, ক্লান্তিহীন পরশের নীরব ছন্দ,

মুহুর্তে দেহপটে জাগে, নিষিদ্ধ প্রণয়ের দাগ।

নষ্টা রমণীয় চোখে মিথ্যা প্রেমের খোলস,

বিশ্বাসের মেরু দণ্ড জুড়ে প্রতারণার ঘুণ;

অনেকটা অমানিশা পেরিয়ে সদ্য মিলন শেষে,

ছলনার শানিত খঞ্জর, করে প্রত্যয়কে খুন।

বৈধ অবৈধের সীমারেখা সবই শংসাতে লীন,

বাক্যেরা অসংলগ্ন হয় পিশাচের পদ চারনায়;

ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে, সম্পর্কের পুতিগন্ধময় পুঁজে,

পরপুরুষের দুর্গন্ধে ভেজা সত্তা, প্রেয়সীর গা’য়।

প্রেম, সেকি শুধুই কিছু সাজানো বুলি!

নাকি দয়িতের তরে সমর্পিত হৃদয়, আত্মা;

নিঃস্বতার মাঝে রয়ে যাওয়া মিছে মানবোধ,

দায়ভারের দায়ে নুয়ে পরা, মেকি সারবত্তা।

বিবর্তনের পথে প্রতিটি নিশ্চিত ফাঁকি, বড়াই-

আসলে তা স্বেচ্ছায় অদৃষ্টের কফিন শয্যা;

মৃতেরা ফেরেনি, না ফেরার দেশ হতে,

নিয়তির শ্লেষে বন্দি, অবাধ্য পরিকিয়া মজ্জা।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *