ভক্তরা চীনের টুনিলাইট বয়কটের ডাক দিয়ে বিপ্লব শুরু করেছিল, এখন নাগপুরের শেখানো বুলি দিয়ে চীনের বিপক্ষে আওয়াজ তুলে দেশপ্রেম জাহির করছে। মজা হল যতক্ষননা কোনো একটা যুৎসই অপোনেন্ট না পাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত ভক্তদের দেশপ্রেম জাগ্রতই হয়না। এখন তাই শুধু পাকিস্থানে তাদের রাগমোচন হচ্ছেনা, তাই চীনই সই। কিন্তু চীন তো আর কাংলা দেশ নয় পাকিস্তানের মত, ভক্তদের বাপেরা চীনের দুপায়ের নিচে জিভ বের করে বসে আছে- যদি দু ফোঁটা ঝরে তো সাময়িক তেষ্টা মেটে।

স্বাভাবিকভাবেই, ভক্তদের বাপ গুলো ভক্তদের দুবেলা পায়ু মর্দন করে চলে যাচ্ছে, একদিকে নাগপুর বানরসেনাদের শেখাচ্ছে “চাইনিস করোনা গো ব্যাক” কিম্বা “রাষ্ট্রপুঞ্জে চীনের বিরুদ্ধে গন মামলা হয়েছে” মত খবর; যেগুলো দেদার বিকোচ্চে ভায়া হোয়াটসঅ্যাপ স্কলার।

দীপক পারেখ তেমনই একজন, উচ্চকোটির ভক্তদের অন্যতম নয়নমনি ও নিজেও ভক্তদের অন্যতম শিরোমনিও বটে। তৃণমূল স্তরের ভক্তরা অবশ্য এনার নাম জানেনা, এ নাম জানতে গেলে যে পরিমান শিক্ষাদিক্ষা প্রয়োজন তা ভক্তদের থাকেনা আর থাকলে সে ভক্ত হতনা।

এখন সেই পারেখ সাহেবে HDFC ফাইনান্সিং কোম্পানির কর্ণধার, যারা HDFC ব্যাঙ্কের অন্যতম পরিচালক। এহেন HDFC তাদের ১ কোটি ৭৩ লক্ষ শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে চীনের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ককে। এই দীপক পারেখ সমগ্র দেশব্যাপী ও দেশের বাইরেও মোদীজির সংস্কার ও আচ্ছেদিনের বিজ্ঞাপনের অন্যতম ফেরিওয়ালা ছিল। এখন চীনের “দো বুন্দ জিন্দেগীকি”কে চোনামৃতের মত পান করছে।

চীন নিঃসন্দেহে পুঁজিবাদের নতুন প্রতীক ও বিশ্বের কাছে নতুন থ্রেট। যেখানে গনতন্ত্র শব্দের অস্তিত্বই নেই, সকলকিছুই চরম গোপনীয়তায় ঢাকা। তারপরও চীন? আসলে মোদীজি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায় শ্লোগানে ভর দিয়ে দেশজ কোম্পানি গুলো চীনের কাছে বিকোচ্ছে, টুনি লাইটে ভর করে ভক্তদের মনে দেশপ্রেমের জোয়ার বইয়ে।

দেশের অখন্ডতার জন্য চীনের এই অগ্রাশন এক নিদারুণ চ্যালেঞ্জ এই দুর্বল আর্থিক সময়ে। ভক্তদের কিছু যায় আসেনা, কারন অন্ধের কিবা দিন কিবা রাত।

কিন্তু অবশিষ্ট ৬৯% মানুষের ভবিষ্যত কি?
কে দেবে উত্তর?

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *