কিটের ভিতরে ঘুণঃ নেপথ্যকথন

র‍্যাপিড ‘করোনা টেষ্ট’ বন্ধ রাখার ঘোষণা করল iCMR, এটা খবর। যেগুলো খবর নয় সেটাই এ পোষ্টের বিষয়।

মোহাল সারাভাই এর কথা মনে আছে? মাসখানেক আগে মার্চের শেষ সপ্তাহের শুরুতে আমি একটা পোষ্ট লিখেছিলাম, ভক্তদের অসীম ভালবাসার দাপটে সেই প্রোফাইলটি দেহ রেখেছে যেখান থেকে পোষ্ট করেছিলাম। সে যাই হোক, অনেকেই মোহাল ভাইয়ের ভুলে গেছেন হয়ত, এটাও ভুলে গেছেন যে তার পিতা কার্তিকেয় সারাভাই ট্রাম্পকে উত্তরীয় প্রদান করেছিলেন মোতেরার ‘নমস্তে ট্রাম্প’ উৎসবে। এসব ভুলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক, কারন রোজই কতশত ঘটনা ঘটে চলেছে সেখানে এদের নাম আর কেইবা মনে রাখে আলাদা করে; কিন্তু সেই বিষয়টাই ভীষণভাবে আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে ফিরে এসেছে।

বিগত এক মাসে পৃথিবীতে করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ভীষণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, আমাদের দেশও তার বাতিক্রম নয়। ভারত ও বাকি দেশের বিজ্ঞানীরাও লেগে পরে আছে কিভাবে সংক্রমণ থেকে বিশ্ববাসীকে রক্ষা করা যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে- ১৭ই মার্চ ২০২০ এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার করোনা বিষয়টিকে সিরিয়াসলিই নেয়নি, তাই করোনা পরীক্ষার কিট বা ডাক্তার/স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা পোশাকেরও বরাতও দেয়নি। ১৭ তারিখের পর কেন্দ্র একটা অর্ডার জারি করে- ওই মোহাল ভাই এর ‘কোসেরা ডায়াগনেস্টিক’কে কিট যোগানের বরাত দেয়, এমনকি রাষ্ট্রীয় সংস্থা https://www.niv.co.in/ ও সে বরাত পায়নি।

কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশ সহ বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি- ভয়াবহ রূপ ধারণ করার দরুন, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর কোনো উপায় ছিলনা। অগত্যা কিছু বিদেশী কোম্পানীকে কিট সাপ্লাই এর অনুমোদন দেয়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (iCMR) এর কাছে ৩০টি কোম্পানি দরপত্র দিলেও ১৬টি কোম্পানি গুনগত মান অর্জনে ব্যর্থ হয়েছিল। ১৪টি কোম্পানীর মধ্যে সর্বপ্রথম- ‘Seegene’ এবং ‘SD Biosensor’ নামের দুটো দক্ষিণ কোরিয়ান সংস্থা ‘RT-PCR’ ভিত্তিক করোনা ভাইরাস রোগনির্নায়ক কিট সাপ্লাই করছিল, এগুলো ছিল সময় সাপেক্ষ পরীক্ষা। পরবর্তীতে ১২টি কোম্পানির সবাই ‘এন্টিবডির ভিত্তিক’ করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট সাপ্লাই করেছিল, যেগুলো মাত্র ৩০ মিনিটে ভাইরাসের উপস্থিতি সনাক্ত করতে পারছিল।

কেন্দ্রীয় সরকার যে বিদেশী কোম্পানী গুলো থেকে অ্যান্টিবডি ভিত্তিক ‘র্যা পিড টেস্টিং কিট’ আমদানি করছিল তারা হল- বায়োমেডনমিক্স (আমেরিকা), সি.টি.কে বায়োটেক (আমেরিকা), বায়োম্যাক্সিমা (পোল্যান্ড), জিটেইন বায়োটেক (চীন), সেন্সিং সেল্ফ লিমিটেড (সিঙ্গাপুর), হ্যাংজো বায়োস্টেস্ট বায়োটেক (চীন), আমোনমেড বায়োটেকনোলজি (চীন), বেইজিং তিগসুন ডায়াগনস্টিকস (চীন), হুনান লিটুও বায়োটেকনোলজি (চীন), ভিভাচেক ল্যাব (চীন) এবং ওয়ান্ডফো (চীন)।

মানে ভারত শুধু মাত্র চীন থেকেই কিট আমদানি করেনি, মোট সাপ্লায়ারদের অর্ধেক চীনা সংস্থা অর্ধেক অন্যান্য দেশ। চীনা সংস্থাগুলোকেও iCMR ই অনুমোদন দিয়েছিল, আরো ১৬টি কোম্পানির মত বাতিল করে দেয়নি। এছাড়া সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার দুটি বেসরকারি সংস্থা, মাইল্যাব (ভারত) এবং অ্যাল্টোনা ডায়াগনস্টিকসকে (জার্মান) বেসরকারি ল্যাবগুলিকে কিট সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে।

এত কিছু করেও বিগত এক মাস থেকে গতকাল পর্যন্ত সাকুল্যে সাড়ে চার লক্ষ মানুষের টেস্ট করতে সক্ষম হয়েছে সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ছাড়া কেউই উপরোক্ত ১৪টি কোম্পানীর কিট নিয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। কয়েকদিন আগে কয়েকটি হাসপাতাল কিটগুলি সঠিক ফলাফল না দেওয়ার অভিযোগ করলে, iCMR ই বলেছিল অদক্ষ ট্যেকনিসিয়ানদের কারনেই এমনটা হচ্ছে, কিটে কোনো গন্ডগোল নেই। এখানে জানিয়ে রাখা ভাল যে, উপরোক্ত কোম্পানি গুলো প্রায় সারা পৃথিবীতেই কিট সরবরাহ করছে। আর ইউরপে এ কিট গুলো খারাপ বেরিয়েছে সেই ‘সেনঝেন বায়োইজি’ কোম্পানি ভারতে কোনো মাল সাপ্লাই করেনি। এর মাঝে আবার আমার কোনো চীন প্রীতি খুঁজবেননা দয়া করে।

এ পর্যন্ত সমস্ত কিছু ঠিকঠাকই ছিল কিন্তু দুদিন আগে iCMR একটা নির্দেশে জারি করেছে যে, সারাদেশব্যপী ২ দিন ‘র্যা পিড টেস্টিং’ বন্ধ রাখতে, কারণ হিসেবে বলেছে চাইনিস কিট গুলির ব্যর্থতা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- চাইনিস কোম্পানি তো ৭টা, বাকি সাতটা সংস্থার সাপ্লাই করা কিট গুলো কি দোষ করেছে? এখানেই আসলে রহস্য লুকিয়ে আছে হয়ত। প্রসঙ্গত, বিগত ১ মাসে অনেক ভারতীয় বিজ্ঞানী, গবেষক, সংস্থা কিট আবিষ্কার করেছে ও প্রসংশিতও হয়েছে। কিন্তু সেগুলো ওই পর্যন্তই এসে দাঁড়িয়ে গেছে, পরবর্তী অগ্রগতি বিষয়ে আমরা কেউই সম্ভবত জানিনা, সম্ভবত সেগুলোর কোনো ব্যবহারিক প্রয়োগ হয়েছে বলেও জানা যায়নি।

রোজই যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে কিট দ্বারা পরীক্ষা করলেই, সেখানে হঠাৎ এভাবে সম্পূর্ণ বন্ধের পিছনে যুক্তি কি! এখানেই মনে হচ্ছে আসল ঘটনাটা লুকিয়ে আছে। ১৬টি ব্যার্থ কোম্পানীর মধ্যে ‘কোসারা ডায়াগনেস্টিক’ও ছিল। তারা মোট ৮ বার তাদের তৈরি করা কিট দাখিল করেছিল iCMR এর কাছে এবং প্রতেকবারই সেগুলো ব্যার্থ হয়েছে যোগ্যতা পরীক্ষাতে। মজার বিষয় হল এই মোহাল ভাইএর কসোরা তার নতুন কিট আমেরিকার US FDA ও ইউরোপের EUA/CE-IVD এজেন্সি থেকে তাদের কিট এপ্রুভ করিয়ে নিয়ে চলে এসেছে এই মধ্য এপ্রিলে।

বাজার হিসাবে ভারতের জনসংখ্যা- গোটা আমেরিকা মহাদেশ, ও গোটা ইউরোপ মহাদেশের যোগফলের চেয়েও বেশি। সুতরাং এই বিপুল বাজার ধরতে আমেরিকা, চীন, ইউরোপ সবাই ঝাঁপিয়ে পরবে স্বাভাবিক। ইউরোপ ও আমেরিকা নিজেরাই এই মুহুর্তে অসুস্থ, চীন বিষয়ে কেউ জানেনা তারা কেমন আছে। এদিকে ভারতীয় ব্যাবসাদারেদের চীনের মার্কেটে অন্যের ঢোকা প্রায় অসম্ভব, আমেরিকার বাজারেও তাই। বাকি রইল ভারত সহ মধ্য এশিয়া ও আফ্রিকা। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি মানুষ, এটাই এখন সকলের টার্গেট।

আচ্ছা, ভারত সরকার সরাসরি নিজে তো আর ওই ১৪টা কোম্পানি থেকে কিট আমদানি করছিলনা, তাহলে কে করছিল! মূলধারায় তথ্য গোপন রাখার প্রচেষ্টা কম করেনি। http://asence.com/ কোম্পানীর সাইটে চলে যান, দেখবে এটা নিউইয়র্কে রেজেস্ট্রিকৃত একটা মার্কিন ফার্মা ডিস্ট্রিবিউটেশন কোম্পানি। খালি চোখে কোনো সমস্যাই নেই, কিন্তু এদের ডাইরেক্টর তালিকা দেখলেই চুলকিয়ে টাকের চুল সব উঠে যাবে, সেই অকৃত্রিম মোহাল সারাভাই। এখন আরেক গুজরাতি কোম্পানি যাদেরকে সিংহভাগ কিট ইমপোর্টের দায়িত্ব দিয়েছে কেন্দ্র, নাম ‘জাইদাস ক্যাদিলা’, ডাইরেক্টরের নাম পঙ্কজ প্যাটেল; বাকিটার দায়িত্বে কিরণ মজুমদার শ এর কোম্পানী ‘বায়োকন ফার্মা’। এর মাঝখানে মেহুল ভাই এর ভারতীয় কোম্পানি কোসারা ডায়গনস্টিক তার দুটো কিট বাজারজাত করে ফেলেছে, The Logix Smart™ ও CoPrimer™ qPCR নামে, বিক্রির জন্য ছাড়পত্রও পেয়ে গেছে কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে। http://codiagnostics.com/ ওয়েবসাইটে তথ্য পেয়ে যাবেন।

দেশপ্রেমিকের দল ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ট্যাগ দিয়ে হয়ত কোসারার ওই কিটগুলোকেই প্রোমোট করবে বাজারে। বেনিয়া দালালদের ভেস্টেড ইন্টারেস্ট রয়েছে এই বিশ্বজোড়া মহামারীতে, ‘বাজারের’ হিসাব উপরের দিয়েছি। মানুষের সর্বনাস হলেও কারো তো পৌষমাস হয়ই হয়। অন্য দেশ থেকে আমদানি করা কিট গুলো থেকে সেভাবে হয়তো কাটমানি রাখতে পারছিলনা ‘দেশপ্রেমিকের’ মাদুলি বেচা রাজনৈতিক দলটি।

হয়ত আগামীতে ওই রাজনৈতিক দল পরিচালিত সরকার- মোহাল ভাইয়ের কোম্পানী থেকে, সরকারী অর্থে কিট কিনে রাজ্য গুলোকে পাঠাবে। রাজ্যগুলোরও হাত বাঁধা- তারা কেন্দ্রের থেকেই নিতে বাধ্য, আসাম ছাড়া একটিও রাজ্যকে ক্ষমতা দেওয়া হয়নি কোন প্রকারের কিট আমদানি করার। সুতরাং করোনা মোকাবিলার নামে অতিরিক্ত দামে সরকারী কোষাগার থেকে একটা বিশাল অর্থ এই দালাল ফার্মা কোম্পানীগুলোর একাউন্টে চলে যাবে, কারন আগের ১৪টা কোম্পানিকে বাতিল করে দিলে বাজারে প্রতিযোগিতাই থাকলনা, মোনোপলি দাম মোনোপলি বাজার। টাকার বাচ্চা দিতে কতক্ষণ, আর এই তাকারই বৃহত্তর অংশটা কর্পোরেট ফান্ডিং, ইলেক্টোরাল বণ্ডের পোশাক সেজে আবার ফিরে চলে আসবে বিশেষ রাজনৈতিক দলটির কাছে, যারা গত বছরে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা এভাবেই রোজগার করেছিল- মানে ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে বা সাধারণ চাঁদা হিসাবে যা অপ্রকাশিতি রয়ে যায়।

কখনও ভেবেছেন, গুজরাতি কোম্পানী গুলোই কেন অর্ডার পাচ্ছে! সরকারের কোন দায় আছে যে এদেরই অর্ডার দিতে তারা বাধ্য! এরা তো আর ভারতের প্রথম ফার্মা কোম্পানি ‘বেঙ্গল কেমিক্যাল’ নয় যে, ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার দায় আছে, তাহলে স্বার্থটা কি? ও কার স্বার্থ?

আপনি কিন্তু প্রশ্ন করতে পারবেননা, কারন দেশপ্রেম আপনাকে বাঁধা দেবে। এদিকে একজন ফার্মা কোম্পানির মালিক ঐ মোহাল ভাই মোট ১১টা কোম্পানির ডাইরেক্টর, যার মধ্যে ৯টি ফার্মা কোম্পানি বাকি দুটি ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি। জানিনা ইনভেস্টমেন্ট-ফাইনান্সিং সেক্টরে একজন ওষুধওয়ালার কী কাজ থাকতে পারে টাকা সাইফন ছাড়া। এদিকে কোসারা ডায়াগনেষ্টিকের নামে কোনো লোন নেই- কর্পোরেট বিষয়ম মন্ত্রকের হিসাবে। দরকারই বা কেন, সরকার কী আর টোকেন এমাউন্ট দেয়নি তাদের!

লোন যেটাতে আছে সেটা ওই ‘আসেন্স’ কোম্পানিতে, যার লগ্নি আমেরিকাতে। আপনি দেশপ্রেমের তাড়ি খেয়ে থাকলে এসব খটখটে তথ্য মূল্যহীন। এই আসেন্স কোম্পানির দুজন অন্য ডাইরেক্টর হলেন- উমেশ সাহ ও অশোককুমার শাহ্। এনাদের সম্বন্ধে আমি বেশি কোনো তথ্য পায়নি, আপনি কিন্তু পদবী দেখেই আলাদা কিছু সন্দেহ করছেন- শাহ্ পদবী কি গুজরাতে কম? আবার আপনার সন্দেহ সত্যি হতেই পারে। আসলে ফার্মা ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আড়ালে কী দারুণ ভাবে ভারতীয় জনগণের সম্পদ লুঠ হয়ে যাচ্ছে ‘নাদির শাহ্’ এর উত্তরসূরিদের দ্বারা। আপনি হিন্দু মুসলিম নিয়েই ব্যাস্ত থাকু, বাকিরা তো ভক্ত- ওদের কি যায় আসে যায় এ সবে।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন মানুষ বাঁচল কী মরল সেটা গৌণ বিষয় রাষ্ট্রের মহান পরিচালকদের কাছে, ঘরের লোককে মুনাফা পাইয়ে দেওয়াটাই মূল লক্ষ্য। বেনিয়াদের তো এসব নিয়েও মাথাব্যাথা নেই নিজেদের স্বার্থ ছাড়া। এদের অদ্বিতীয় একটাই লক্ষ্য- তা হল রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুঠ; কখনও সরাসরি, কখনও দুর্বৃত্ত রাজনেতাদের দালালির মাধ্যমে।

এই হল সেই অধরা বিকাশ, যা মুকেশভাই, গৌতম ভাই এর পর বর্তমান উত্তরাধিকার মোহাল ভাই এর। তাতে দুদিন কেন, ২০০ দিন টেষ্ট বন্ধ হলে হোক, আমি তো ভক্ত- আমার ওসব ভেবে লাভ কী! মোদিজীকে থোরিই জনগণ – অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, শিক্ষা ইত্যাদির জন্য ভোট দিয়েছেন! পাকিস্তান, হিন্দুমুসলিম, পিটিয়ে মারা, রামমন্দির, NRC, নোটবন্দি, কাশ্মীরের স্পেশাল ধারা লোপ এসবের জন্য ভোট দিয়েছিলেন। আজ তার কাছে স্বাস্থ্য চাওয়া অন্যায় ও অপরাধ

বেচারা iCMR এর অধিকর্তারা, জবাবদিহি করতে করতে তাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। সে যাই হোক, করোনা নিয়ন্ত্রণে মোদিজী বিশ্ব সেরার শিরোপা পেয়েছে- এই খবর কি জানতেন? যেটা জানেননা সেটা হল- এই মোহাল সারাভাই- ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার প্রানপুরুষ, সম্মানীয় ‘বিক্রম সারাভাই’ এর নাতি। দাদু হস্তি সেজে বল দেখিয়েছিলেন গোটা বিশ্বকে, নাতি মর্কট সেজে নাচ দেখাচ্ছেন। দেখুন তো উপরের ঐ ‘নামটা’ শোনার পর আর কোনো ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছেন কিনা! সাবধান এনাদের নামে কিছু বলা মানেই কিন্তু দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আসতে পারে, ভক্তরা সাহেবের ইশারা ছাড়া কিছুই বোঝেনা।

তাই সাধু সাবধান।

মিস্ত্রীঃ ©তন্ময় হক

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *