অনন্ত কাল ধরে অস্তিত্বকে বাঁচিয়ে রাখার নামই অমরত্ব। জীবন কখনই চিরস্থায়ী হতে পারেনা। জীবনী কালে অর্জিত গুনাবলী, জীবনযাত্রা প্রণালী, নীতি, অনুশান-বাক্যই শাশ্বত; আর এই সকল কিছুই অমরত্ব লাভ করতে সক্ষম। শাশ্বত সকল কিছুই কালত্তীর্ণ, যা যুগে যুগে নিজেকে প্রমান করে সমসাময়িক বিকল্পের সাথে সমানে সমানে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকে।

দার্শনিকদের মতে শরীর আর মন দুটি আলাদা স্বত্তা। শরীর নশ্বর, আত্মার পরিনতি সম্বন্ধে এখনও কোনো সুস্পষ্ট ধারণা নেই। আত্মাকে অবিনিশ্বর বলা হয়ে থাকলেও, আসলে আত্মা দ্বারা অর্জিত সাধু গুণাবলীরই সাধনা করা হয়। মননের অভ্যন্তরে লালিত হওয়া অনুভূতির গভীর আবেশে আপ্লুত হওয়া চেতনারা আন্দোলিত হয়। সেখান থেকে সত্যের পরকৃতিরা বিমূর্ত হয়, সাথেসাথে গূঢ় করে সৌন্দর্যের প্রকাশ। এটাই শাশ্বত, অমরত্ব।

অমরত্বের নিবাস কোথায়? অমরত্বের নিবাস চেতনাতে, আর চেতনা থাকে মস্তিস্কে। হৃদয়ে আবেগের বাস,  সেই আবেগকে ‘নিয়ন্ত্রণ ও বিচার’ করে থাকে চেতনা সমৃদ্ধ উর্বর মস্তিস্ক। উচ্চমার্গের বিচার বিবেচনা-ন্যায়, ও সেগুলোর সুষ্ঠ ব্যাবহারিক প্রয়োগের কারনেই নির্দিষ্ট চেতনারা শাশ্বত হয়ে উঠে। বিজ্ঞানের পরিভাষাতে চেতনা,  মস্তিষ্ক কোষের ভিতরের পারমাণবিক স্তরের রাসায়নিক পরিমণ্ডলে বৈদ্যুতিন তরঙ্গের বিচ্ছুরণ প্রভেদ ছাড়া আর কিছু নয়।

ভবিষ্যতের বিজ্ঞান হয়ত এমন একটা পর্যায়ে একদিন পৌছাবে, যখন মস্তিষ্কের চেতনাসমৃদ্ধ ভাবনাগুচ্ছকে সহজের স্থানান্তরিত করা সম্ভব হবে। ঠিক যেমনটা আজকের দিনে কম্পিউটার থেকে মাইক্রোচিপসে ডেটা আদানপ্রদান করা হয়। মানব মস্তিষ্কও আসলে সেই সুপার কম্পিউটার যার কার্যপ্রনালী সম্বন্ধে বিজ্ঞানিরা একটা ধারণা করতে পেরেছে ঠিকিই, কিন্তু এখনও সেটার কার্যকরি বিশ্লেষণ করে উঠেত পারেনি। যেদিন বিজ্ঞান সফল হবে এই বিশ্লেষণে, সেদিন এতোদিন ধরে চলে আসা গতানুগতিক ‘অমরত্ব’ ধারণার বিলোপ ঘটবে। তখন যা কিছু ভাল বা খারাপ, তার সংরক্ষণ করতে চাইলে বিবর্তনের অনুশীলন প্রয়োজন হবেনা। কারিগরি দক্ষতা থাকলেই অনুপ্রবেশের মাধ্যমের চেতনাকে সঞ্চারিত করে দেওয়া যাবে এক মস্তিষ্ক থেকে অন্য মস্তিষ্কে।

কিছু  অনুভূতি আছে যা জীব জগতে, বিশেষত মানুষের জন্য শাশ্বত। যেমন সুখ, শান্তি, প্রেম ও তাদের বিপরীতগামী ভাবনারা। একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে এই সংবেদনশীলতা গুলো বংশপরম্পরাতে পরিব্যাপ্ত হয়। বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় জৈবিক কারনের উপরে যা অনেকটাই নির্ভরশীল। পরিস্থিতিভেদে একজনের সাথে অন্য জনের বিসাদৃশ্য থাকলেও মূলগত ভাবে এরা অকৃত্রিম প্রতিটি এককে, তাই এই অনুভুতিগুলো অমর।

সুখ-দুঃখ, শান্তি-অশান্তির মূল কারন প্রেম। বহুলাংশেই শারীরিক যন্ত্রণার চেয়েও বেশি পীড়িত করে মানসিক যন্ত্রণা। তাহলে, যে প্রেম এতকিছুর মূলে এবং শাশ্বত; সেটা কি, কেন, কোথায় এবং কিভাবে একটু দেখে নেওয়া যাক।

প্রেম হল একটি প্রকৃতিগত শক্তি যাকে শাশ্বত বলে মানা হয়। প্রেম চাইলে সৃষ্টি করা যায়না, চাইলে সমাপ্তও করা যায়না। প্রেমের দাবি নিজস্ব; যা সময়ের সাথে আসে, জাঁকিয়ে রাজত্ব করে। এর পর হয় সেই নির্দিষ্ট প্রেমের অবক্ষয় হয়, বা মানুষটির জৈবিক অস্তিত্ব অবলুপ্ত হয়। দ্বিতীয় ক্ষেত্রের প্রেম, সীমিত পরিসরে হলেও অমর হয়ে যায়। প্রেম সর্বদা ব্যাক্তির উর্ধ্বে বিচরন করে, তার নিজের তৈরি নিয়মমালা সহ। প্রেমকে আমন্ত্রণ করা যায়, নিজের মধ্যে রেখে অনুভবে বাঁচা যায়। প্রেম কখন, কিভাবে, কোন রূপে ধরা দেবে সেটার ভবিষ্যৎবাণী অসম্ভব। প্রেমে শর্ত হয়না, তাই প্রেম অমুল্য। প্রেম অর্থনৈতিক লাভক্ষতি, সমাজিকতার দায়ের উর্ধ্বে। একে বিনিময় করা সম্ভব প্রেমেরই বিনিময়ে; যেটা আকাঙ্ক্ষার স্বাধীনতা থেকে মুক্তি দেয়। প্রেমকে প্রতিরোধ করা যায়না, এর কোনো বন্দিশালা হয়না। এর সীমানা নেই, গননা নেই, অঞ্চলভেদ নেই এবং এটা থেকে শক্তির উদ্ভবও ঘটেনা। কারণ প্রেম নিজেই শক্তি, যার একাধিক অংশীদার থাকলে হিংসার উদ্ভব ঘটায়। প্রেমে পরা যতটা সহজ, সেটাকে টিকিয়ে রাখা ঠিক ততটাই কঠিন। যারজন্য প্রেমের ফলাফল পরিমাপ করা হয় পরিতৃপ্তিতে। প্রেম কোনো নির্দিষ্ট বিশেষ অনুভূতি নয়, বরং গুচ্ছ অনুভুতি মালা। প্রেমই সুখের রসুইশালা, যে সুখ-মালারা শান্তি দেয়।

প্রেম থাকলে তার অপর পিঠটিও সমান সত্য, এবং এটাও চিরন্তন। বিচ্ছেদ, যা সাধারণত সুখ-শান্তির সাথে ব্যাস্তানুপাতিক সম্পর্কের। তবুও কখনো কখনো সুখের সন্ধান দেয় বিচ্ছেদ। কারো কারো কাছে, কাছে থাকার চেয়ে হারিয়ে যাওয়া ও আর কখনও ফিরে না আসাই বোধহয় সেরা পন্থা টিকে থাকার। জিইয়ে রাখা ভালোবাসা একসময় শেষ হয়, তাই ভালবাসাকে রোজ সুদ দিতে হয় যা মুলের সাথে বাড়ে। সেই অতিরিক্ত ভালবাসাকে দুধের উপরের ননীর মত সযত্নে তুলে, জীবন সাজাতে খরচা করলে তবেই জীবন সাজে।

সৃষ্টির আদি থেকে আজ পর্যন্ত পরিবর্তনশীল প্রকৃতিতে সকল কিছুই ধ্রুবক। নতুন করে কিছুই যোগ বিয়োগ হয়নি, শুধুই রুপান্তর ঘটেছে। সীমাহীনতার মাঝে নিজের অস্তিত্বের চতুর্দিকে জ্ঞান অনুযায়ী প্রকৌশলী গণ্ডি বানিয়ে তার মধ্যে জীবনধারন করাই স্বকীয়তা। জীবন কখনই অঙ্কের নিয়মের বাইরে নয়, যেখানে সুত্র মেলেনা সেখানেই অতিপ্রাকৃত কল্পনারা জন্ম নেয়। তাতে করে আমাদের অজ্ঞানতার অক্ষমতা বৃদ্ধি ছারা লাভের লাভ কিছু হয়না। দুয়ে দুয়ে কখনই পাঁচ হতে পারেনা। তাই দুটি মনের মিলনে যতটা থাকে অধিকার করার তাগিদ, বরং তার চেয়েও বেশি থাকা উচিৎ নিজেকে বিলিয়ে বা আত্মসমর্পন করার তিতিক্ষা। অভিলাষেই প্রেমে পূর্ণতা।

চেতনার বয়স বাড়ে না, বাড়লে শৈশবানুভুতি কখনই ফিরতনা বার্ধক্যে। প্রতিটি বয়সের চেতনা অনন্য ও সমান গুরুত্বপূর্ন। প্রেমের চেতনা সুখের প্রতিশ্রুতি দেয়না, বরং দাবি করে আরেকটি জীবন্ত চেতনার সাথে প্রতি পদক্ষেপে নিজেকে মানিয়ে নেবার। ঠিক এইখানেই সুখ আর শান্তির প্রভেদটা চাইলেই ধরা যায়। জৈবিক চাহিদা পূরণই সুখের বুনিয়াদী জন্মদাতা, সুখ পরিপূর্ন হলে তার আস্বাদ আত্মায় পৌছায়। যা আমাদের চেতনার অনুভুতিগুলোকে ধনাত্বক অভিমুখে জাগ্রত করে, সেটাই শান্তি। শান্তি এককভাবে প্রতক্ষ্য করা বেশ কঠিন, তুল্যমুল্য বিচারের নিরিখেই শান্তির রসাস্বাদন করা সম্ভব। নিরাপত্তা, সুশৃঙ্খলতা আর অস্থিরতা যুক্ত অশান্তি থেকে মুক্তিই শান্তির আবহাওয়া তৈরি করে।

যখন চাহিদার প্রতিসরণ ঘটে চলমান সময়ের সাথে তালমেলানো বিবর্তনের দায়ে, তখন জীবন দর্শনের উত্তোরন বা অবনমন ঘটে। পূর্ববর্তী জৈবিক চাহিদা পূরন, নতুন করে আর সুখ দিতে পারেনা; যথারীতি শান্তি বিঘ্নিত হয়। বর্তমানের থেকে দূরে গিয়ে প্রাক্তন করার মাঝে অনেকেই সুখ খুঁজে ফেরে। গতানুগতি স্থিতিশীল শান্তি পরিস্থিতিও অত্যাচারিত হতে চায়, এবং নতুন করে সংগ্রাম রচনার মধ্যে সুখ লাভ করতে চায়। অতএব বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবি সেটা যে তরফ থেকেই ঘটুক।

আশা করা যায় সম্মতিজনক বিচ্ছেদ দু পক্ষকেই একটা সম্মানজনক শান্তির পরিসর দেয় দুরত্ব বজায় রেখে ভাল থাকার, একে অন্যকে ছাড়া। প্রতিটি সম্পর্কের অবনতির নির্যাস এটাই দাঁড়ায়, এক পক্ষ নিজেকে ভুলের উর্ধ্বে না ভাবলেও, সজীব ও চিন্তাশীল ভাবেন অন্যপক্ষের চেয়ে। পাশাপাশি অন্য পক্ষকে অসৎ সঙ্গের পাল্লায় পরা জড় ভাবাটাও বোধহয় সার্বজনীন সত্য।

অশান্তির মুহুর্তগুলোতে সকলেই শান্তি খোঁজে, এটা নিঃসন্দেহে বড় ভুল। সুখ বিনে শান্তির অস্তিত্ব নেই। সুখের আকার আয়তন খুব খুব ছোট ছোট বৃত্তেও নিজেকে পূর্ণ করার ক্ষমতা রাখে। তাই শাশ্বর সুখের পিছনে না ছুটে, ছোট ছোট ভুল শুধরে ফেলা। ছোট ছোট সুন্দর মুহুর্ত সৃষ্টি করলেই ছোট ছোট সুখ গুলো বুদ্বুদের মত ভেষে বেড়ায়, যা মনের মাঝের কালিমাগুলোকে গিলে ফেলে খুব দ্রুত। একটা মুক্ত বাতায়নে ভাবনারা শ্বাস নিতে পারে, সেটাই বড় সুখের সঞ্চার ঘটায়। যা শান্তি প্রদান করে আবার স্থিতিশীল করেদেয় ব্যাবহারিক জীবনকে।   

সন্দেহ বড় জটিল রোগ, দুরারোগ্যোও বটে; তবে সুখদায়ক। সন্দেহ করাটা যেমন ক্ষতিকারক, আবার সন্ধের উদ্রেক না হওয়াটাও পরিস্থিতিভেদে যথেষ্ট সন্দেহের। এক সময় এর প্রকোপে সকলকিছুই অচেনা মনে হয়, নিজেকেও । বস্তু দুনিয়ার রোগের ওষুধও বস্তু দুনিয়াতে উপলব্ধ, মনের রোগ হলে তার নিরাময়ে মনের মানুষ প্রয়োজন। নাহলে বিকার সৃষ্টি হয়। অনেক মানুষই নিজের সৃষ্টি বা অন্যের সৃষ্টির মধ্যে কোনো জড়কে, সজীব কল্পনা করে তার মাঝে সুখ খুঁজে ফেরে। এগুলো মানসিক ক্ষারণ, যা সমাজে দ্রুত ছড়ায় জীবানুর মত। প্রেম সুখ, শান্তির সর্বোচ্চ ও সর্বমহৎ উৎস। প্রেমের অন্ত নেই, সে পরিবর্তিত হয় এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে। এক দেশ থেকে অন্য দেহে বা এক চেতনা থেকে অন্য চেতনাতে। এর বিকৃতি নেই, রয়েছে ব্যববহারিক প্রয়োগের অক্ষমতা ও আমাদের অনুধাবন ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা।

অধিকার বোধের সাথে বিশ্বাসযোগ্যোতাতে যখন মরচে পড়ে তখনই মনে হয় সে বোধহয় দূরে চলে যাচ্ছে। এটা একটা মানসিক শূণ্যতার জন্মদেয়, যার ফলশ্রুতি হিসাবে ‘সন্দেহ’ সেই ফাঁকা স্থানে বিস্তার পায়। সন্দেহ পুষ্টি পায় আমাদের পাশবিক স্বত্তা থেকে যেটা আমাদেরই চরিত্রের অংশ। পাশবিক শক্তিকে যদি মানবিক শক্তি বসে আনতে পারে তাহলেই মোক্ষোলাভ সম্ভব, পেমে হোক বা জীবনে। জৈবিক চাহিদা জরুরী কিন্তু পাশবিক, চেতনা মানবিক। সুখ ভোগ করা পাশবিক, আর সেই সুখকে অন্তরে উপলব্ধি করা শান্তি হল মানবিক।

দুজন মানুষের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদপ্রাপ্ত দুজনেই জানে কষ্ট অপরজনও পাবে, কিন্তু মেকি ঔধত্বের নরম স্বচ্ছ প্রাচীর ততক্ষণে দুটো মনের মাঝে ঘসে যাওয়া কাঁচের মত অসচ্ছ হয়ে গেছে। সেই কাচে একটু অন্তর নিংড়ানো চোখের জল পরুক, ঘষা কাচও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে মুহুর্তে। অস্বচ্ছ পুকুরের জল আসলে গুলিয়ে যাওয়া কাদা। ঘেঁটে গেলে গন্ধ বার হয়, জল কালো হয়ে যায়। কিন্তু সময় নিয়ে ধৈর্য সহকারে প্রতীক্ষা করলে সেটাই আবার স্বচ্ছ হয়ে যায় পূর্বের মত।

প্রেম হোক বা বিচ্ছেদ, সুখের খোঁজ স্বতঃস্ফুর্ত সহানুভুতিশীলতাই দাবি করে। সুখ কি! সুখ হচ্ছে আত্মিক চাহিদার সাথে প্রাপ্ত পরিপূর্ণ আরামের সমানুপাতিক রাশি। সুখেরও দুটি ধারা রয়েছে, একটা তাৎক্ষণিক সুখ। যেটা আসে ও ক্ষণস্থায়ী ভাবে থেকে আবার বিলীন হয়ে যায়। অন্যটি চিরস্থায়ী সুখ, এটা নির্দিষ্ট জীবনীকালে সেই নির্দিষ্ট ব্যাক্তির কাছে যা শাশ্বত। অস্থায়ী সুখ আখাঙ্ক্ষাকে সাময়িক বিরত রাখতে পারে, কিন্তু শান্তির জন্য প্রয়োজন স্থায়ী সুখ। অনেক ক্ষেত্রেই অস্থায়ী সুখ শান্তি বিঘ্নিত করে থাকে আবার শান্তিপূর্ণ মানসিক পরিস্থিতিও অনেকাংশে অসুখের কারন। সুখ এবং শান্তির চর্চাতে দেখা যায়, সুখ হল পরিতৃপ্তির আবেগ; শান্তি উদ্ভুত পরিস্থিতির নাম। সুখ বাহ্যিক ও ভৌত, শান্তি অন্তরের। একটা ক্ষণস্থায়ী সুখ সর্বদা দীর্ঘস্থায়ী সুখের সন্ধান করে, সেটাই শান্তি প্রতিষ্ঠা করে।   

এ যাবৎ ধ্রুবক হিসাবে একমাত্র সময়ের চলনই সত্য বলে নির্দ্বিধায় মেনে নেওয়া যায়। বাকি সকলকিছুই অমরত্বের মোড়কে ঢাকা পৃথক পৃথক বস্তু বা ভাবনা। যেগুলো সকল সময় প্রতিদ্বন্দিতা করে চলেছে, বর্তমানের সাথে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সুখের বৈধতাও সময়যন্ত্রে বাতিল গন্য হতে পারে, সেখানে শান্তি অবিনিশ্বর। অতএব শান্তির উৎস যাকিছু সুখ, সেই সকল কিছুই অমর।

স্বজাতীয় রচনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *