মনে আসা কথা গুলোকে জাষ্ট টুকে দিলাম
◑◑◑◑◑◑◑◑◑◑◑○◑◑◑◑◑◑◑◑◑◑◑

তৃণমূল রাস্তায়।
তৃণমূলী বিজেপি মুখী
বিজেপি রাস্তায়।
অত্যাচারী তৃণমূলকে উচিৎ শিক্ষা দিতে।
বিজেপি সরকারের প্রস্তুতিতে।

বামেরা এলিট
বামেরা ফেসবুকে
বামেরা খোরাক খুঁজছে
রোজ নতুন খোরাক চাই
মিমি-নুসরৎ কি পোষাক পরল!
মমতা ব্যানার্জী কি ইংরাজি ভুল বলল!
দিলীপ ঘোষ কোন বর্ণপরিচয় পড়ে!
মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যোতা কি!
বামেরা এই সকল গভীর বিপর্যয় নিয়ে ব্যাস্ত।
দেরিদা, ফুকো, চমস্কি, ভেনেজুয়েলা, কিউবা, কানহাইয়া নিয়ে রঙিন স্বপ্নে বুঁদ, ক্ষমতা কি জিনিস? ২০১১ থেকেই নেই তে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া একটা দল।
পার্টি কর্মীরা “হারলেও লাল জিতলেও লাল”
তাত্ত্বিক বাম আতেঁলরা- ‘বামপন্থার মৃত্যু হয়না’
অতিবাম- ‘বাম রাজনীতির লক্ষ্য ভোটে জেতা নয়, পথের লড়াই’
তিন শ্রেনীই শেষ শ্রেনীকে অনুসরণ করে পার্টিকে পথে নামিয়ে এনেছে। ভোট বাক্স খুলে সব রাম।
ঠান্ডা ঘড়ে বসে নেতারা পরবর্তী পলিটব্যুরোর প্রতীক্ষায়।
বামেরা এলিট, বামেরা ফেসবুকে।

মমতা বাংলা সমাজকে ছোট ছোট টুকরো করেছিল।
অমুক পরিষদ, তমুক বোর্ড, কুর্মি উন্নয়ন, তামাং গোর্খা সবার আলাদা করে খাওয়ার কল।
বিজেপি হিন্দুত্বের সংজ্ঞা দিয়ে বাংলাকে আবার জুড়ে দিয়েছে।

মুসলমান তোষন করেছে সংবাদে, মাদ্রাসা বোর্ডে নিয়োগ নেই সরকারি চাকরি ২%তে নেমেছে। ভোটের বলি যা হয় তার সিংহভাগ মানুষ মুসলমান সম্প্রদায়ের। মুসলমান লেঠেল। ভোটলুঠের ভাড়াটে সৈনিক।
রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই, পঞ্চায়েত স্তরে রাজনীতি করলে ১০০ দিনের কাজ সহ নানান সরকারি প্রকল্প থেকে তোলার ভেগ আসবে। তাও সবাই তৃণমূল। যারা সুযোগ পাইনি তারা বিরোধী। আদর্শ? প্রাথমিকে আদর্শলিপি অচল।
মমতা দরজা বন্ধ রেখে বেড়াল মারতে গেছিল,
মনিরুল বিজেপিতে, বেড়ালের জন্য জানালা খোলা রেখেছে বিজেপি,
ব্যাক্তি মনিরুলকে দরকার নেই বিজেপির, MLA পদটা দরকার।
এই মুকুলই আবু আয়েশকে দিলে নিয়েছিল MP থাকা কালীন
আজ আবু আয়েশ হারিয়ে গেছে, মনিরুলও হারাবে
লাভপুরে বিজেপির ফুল পোঁতা হয়ে গেল।

আবেগ দিয়ে ভোটে জেতা যায়, সরকার গড়তে সংখ্যা লাগে। বিজেপি বেনিয়ার দল। ভোটে জেতা হয়ে গেছে, পাটিগনিত মেলাতে মনিরুল চাই। নতুবা গোয়া, বা মনিপুর বা মেঘালয়ের মত সরকার গঠন কিভাবে হবে?
বিজেপি ভয়ানক লিবারাল, যারা মনিরুলকে নিয়ে বা অন্য তৃণমূলী উচ্ছিট্ট নিয়ে উন্নাসিকতা দেখাচ্ছেন, তাদের জন্য -আসাম, ত্রিপুরা, সাবেক রাজস্থান, ঝাড়খন্ডের ইতিহাস ঘ্যেটে দেখে নিন। কারা আদি বিজেপি। এই বিজেপিই গোয়াতে বা উত্তরপূর্বে গোমাংস খায়, গোবলয়ে পিটিয়ে মারে গো-পরিবহনের দোষে। এই বিজেপিতে মনিরুল এক্কেবারে যোগ্য ব্যাক্তি, আরাবুল, কাইজার, অনুব্রতও। বিশুদ্ধবাদীরা ইসবগুলের ভুষি খেয়ে আদর্শ হেগে আসুন।

কর্মীরা দিনের পর দিন মার খেয়েছে, পার্টি নেতৃত্ব ব্যাস্ত বাৎসরিক পার্টি কংগ্রেস বা পলিটব্যুরোর প্রস্তুতিতে। পার্টি কর্মী ঘরছাড়া, নেতৃত্ব ব্রিগেডের ডাক দেয়। বাজার করব ঘরের দোরে, প্রেম করব অনেক দূরে। পার্টি কর্মিরা লাল ঝান্ডাকে ভালবাসে, প্রেম করে পার্টিকে। তাই বহুদুরে এসে ব্রিগেড ভরিয়ে তোলে, কিন্তু গ্রামে বেঁচে থাকার সাওয়াল, ভোটটা তাই তাকে দেয়- যে তৃণমূলকে পালটা মারতে পারবে। পার্টি দায়িত্ব নিয়ে মমি বানিয়ে দিচ্ছে। এই তেনৃত্ব আর টেনেটুনে বছর দশেক থাকলে, কলকাতা জাদুঘরের কপাল খুলবে। ইতিহাস হয়ে যাওয়া বামপন্থা ১০-২০ টাকার বিনিময়ে চাক্ষুষ করার সুযোগ পাবে মানুষ।

গোটা রাজ্যটা পচে গেছে। সেই পাঁকে পদ্মই ফুটবে।
বাজারে জোর গুঞ্জন, তৃণমূলের লাশ তিনমাস টিকলে হয়
তৃণমূলে মমতার পরের নেতার নাম কি? নেই।
হোৎকা পার্থ নিজেই একটা বোঝা। বাকিগুলোকে দেখলে ভাদ্রমাসের পুরুষ কুকুর বলে মনে হয়। টাকা টাকা টাকা করে ছুটছে। ফ্যাসিজমে অবশ্য এগুলোই স্বাভাবিক।

পশ্চিমবঙ্গ।
এখানে নেতারা প্রকাশ্য ক্যামেরাতে দেখা গেছে ঘুষ নিতে
এরাই ভোটে জিতেছে।
বাংলাতে নেতা নেই এই মুহুর্তে।
কার জনভিত্তি আছে?
দক্ষিণ কোলকাতার ৭ টা বিধানসভার বাইরে মমতা কাওকে নেতা করেনি, অরূপ, ববি, শোভন পাড়ার নেতা। কাউন্সিলার। ওরাই তৃণমূলের সব। তৃণমূলের মুসলমান নেতা নেই। সুলতান আহমেদ মৃত, দালাল সিদ্দিকুল্লা শেষ বয়সে তোলা তোলার সুযোগ পেয়েছে ফালতু রাজনীতি করতে গিয়ে রোজগার হাতছাড়া করবে কেন? জাভেদ খানকে সহ প্রতিটি মুসলমান নেতাকে মমতা ব্যানার্জী নির্দিষ্ট একটা গন্ডিতে বেঁধে রেখেছে। বাড়তে দিইনি।
বিজেপি একাই সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক করেনা।
তৃণমূল বিজেপির চেয়েও বড় সাম্প্রদায়িক,  আরো বড় ক্ষতিকর।
মুসলমানদের উচ্ছিষ্ট ভোজী করে দিয়েছে।
মুসলমানেরা ভয়ে বিজেপিকে ভোট দিইনি এই ভোটে। এখন পাশের প্রতিটি আড়াই জনে একজন বিজেপি, অভ্যস্ত হচ্ছে, আগামীতে ভোটও দেবে।
অথর্ব বামেদের আদর্শ সম্ভবত জগন্নাথ দেব, ড্যাবড্যাব করে দেখছে, হাতপা নড়ছেনা। মুখে কথা নেই, ৭% যা আছে তাও থাকবেনা। নবীন প্রজন্ম এমনিতেই কম, তাত্ত্বিক বুলি মুটে মজদুরেরা বুঝছেনা, নেতারাও।

পাহাড় হাসছে, জঙ্গল হাসছে।
কারন তারা তৃণমূল মুক্ত।

তৃণমূলের মুকুল ফুটে জোড়া ফুল হয়নি
পদ্ম হয়ে ফুটেছে
বুলবুলি ধান খেয়েছে কিনা জানিনা
বাংলায় বর্গি এসেছে
কৈলাশ বিজয় বর্গি
বাংলার শিশুরা আজকে আর ভয় পায়না।
খাজনা দিতেই হবে।

শারদ পাওয়ার, মল্লিকার্জুন খার্গে, গেগং আপাং, জয়ন্ত চৌধুরী, অজিত সং, শত্রুঘ্ণ সিনহা, শারদ যাদব, লালুর ছেলে তেজশ্বী যাদব, এরা সকলে মমতার ব্রিগেডের মঞ্চে ছিল। সবাই ভোগে গেছে, অস্তিত্বের সঙ্কটে প্রত্যেকে। তবে চন্দ্রবাবু নাইডু বা কাজরীওয়ালের মত এভাবে পথে বসে যায়নি কেউ। কি অপয়া বিষাক্ত মানুষ- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আশার কথা- মুখ্যমন্ত্রী মমতার পদত্যাগ গ্রহন করেনি দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জী। ব্যাক্তি মমতার পতন শুধু সময়ের অপেক্ষা, ইতিহাস এটাই বলছে।

অতঃএব তৃণমূল ছবি।

মমতা দল যাদের দিয়ে করিয়েছে তাদের ক্ষমতা দিইনি
MLA, MP করেছিল অভিনেতা, কবি, বুদ্ধীজীবীদের
তারা আজ পালাবে। অর্পিতা ঘোষ, বীরবাহা সোরেন, মহুয়া মৈত্রদের সংগঠনে এনেছে। বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ।
মাটির সাথে যারা ছিল তাদের মামলা দিয়েছে ক্ষমতাবান তৃণমূল গোষ্ঠী।
আরাবুল, কেষ্টা, রবীন্দ্রনাথ, শুভেন্দুও তৃণমূলে গেলে আশ্চর্য যবেনা বাংলা।
আগামীকাল ভোট হলে তৃণমূল ১ টা আসনও পাবেনা।
এটা রুখতেই মমতা পথে।

জার্সি বদলের খেলা চলবে, রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প। সূর্য মধ্যগগনে যেমন সত্যি, সূর্য অস্তাচলের যাবে এটাও ধ্রুব সত্য। ৩ মাস আগেও মমতা ব্যানার্জী অপরাজেয় ছিল, আজ ওনার মত নির্ঘুম রাত আর কেউ কাটাচ্ছে কি?
তাই বিজেপি নিয়েও খুব বেশি ভেবে কি লাভ? এসেছে। বাংলাতে আরো আসুক। বিজেপির উপরে ভরষা করে যদি আদানী আম্বানী টাটা বিড়লারা কিছু লগ্নি করে শিল্প করে, তাতে বাংলারই লাভ। বাকি যেমন এসেছে, তেমনই চলে যাবে যদি অত্যাচারী হয়। বিজেপি RSS মুসলমান তাড়াবেনা, পুষে রেখে দেবে। ক্ষমিতায় ফিরতে ৮৩% সংখ্যাগুরুকে (সমস্ত অমুসলিম হিন্দু ধরে) ১৭% জুজু দেখিয়ে ভোট করিয়ে নেওয়ার এত বড় হাতিয়ার কোথায় পাবে? ওই বছরে ২-১০ টা কে পিটিয়ে পুড়িয়ে মারবে ভয় পাওয়াবার জন্য। এভাবেই বাঁচবে সংখ্যালঘু। দলিতেরা মানুষ হলে তাদের কথা লিখতাম।

রাজ্যেঃ চাকরি দিইনি, বেতন বেড়েনি, শিল্পে শ্মশান, কৃষিতে মান্ডি সিস্টেমে তৃণমূলের নেতাদের রোজগার যোজোনা। হাসপাতাল বিল্ডিং সর্বস্ব, সরকার চলেছে তৃনমূলের রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে। পুলিশি তোলা, পুলিশি অত্যাচার দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ। ঝাড়খন্ড পেড়িয়ে বাংলা ঢুকেছি বোঝা যায় – পুলিশ যখন হাত বাড়িয়ে ড্রাইভারদের কাছে টাকা চায়। আইনশৃঙ্খলা ভগবান ভরষা, তৃণমূল রাজনৈতিক দল ছিলনা, চোর বাটপারেরা সংগঠিত হয়েছিল। ইতিহাসে এভাবেই মূল্যায়ন হবে নিশ্চিত।  সারদা নারদার পাপ ধুলেও যাবেনা, চাপ চাপ কান্না আর মৃতমানুষের লাশে জড়িয়ে আছে দল তৃণমূল। ভাইপোকে রাজা বানাতে গিয়ে, নিজেকে প্রধানমন্ত্রী করার স্বপ্নে ৬৫ বছরের বৃদ্ধা ভোটের সময় একাই গোটা বাংলা দাপিয়ে বেড়িয়েছে। মঞ্চে ৫০০ সভাসদ কাঠপুতলের মত বসে, দুঁদে আমলা সহ, তিনি ক্রুদ্ধ সার্কাসের সিংহের মত মঞ্চ জুড়ে ছটপটিয়ে গেছিলেন। আজ দিশেহারা ২২ টা সিট পেয়েও। শুধু একা মমতা জিতে যে ক্ষমতা ছিল আজ ২২শে সেই ক্ষমতা নেই।

আজকের দিনে যার কিছু হয়না, যে সকল ধরনের কাজের অযোগ্য, সে সাংবাদিক হয়। সেই সাংবাদিকের চোখে মমতা পৃথিবী দেখেছে। আমরা শুনছি গুজরাতেও মুসলমানেরা বেঁচে আছে বহাল তবিয়তে,  উত্তরপ্রদেশেই শাহারানপুর। তাই বাংলাতে ৩০% মুসলমান ‘ভালই’ থাকবে। এখানে দলিত কনসেপ্ট নেই, সৌজন্যে সেই বাম- যারা আজ ভাবনাতে জড়ভরত। আক্ষেপ- পার্টিটাকে কখনও ছাড়তে পারবনা এমন রামপাঁঠা আমি। আমার মত এমন অনেক আছে, আমাদের পাঁঠার দল।

বামেরা পলিট ‘বুড়ো’
বুড়ো ঘোড়া দৌড়ায়না
ল্যান্ডফোন জামানার বিমান বাবুকে অযোগ্য বলা যাবেনা, সূর্যবাবু অস্ত গেছেন বললে পারলে ধোপানাপিত বন্ধ করে দেবে এক শ্রেনীর পার্টির ধামাধরার দল।
পার্টির কিছু হোলটাইমারেরা আপনাকে বিজেপি বা তৃণমূল বলে দেগে দেবে।
পৃথিবীর সব দলে বিপর্যয় এলে, দায় নিয়ে পদ ছেড়ে দেয়। বাম নেতৃত্ব এক্কেবারে দেহ ত্যাগ করে।

মমতা আজ অসহায়, সে একা। কাওকে বিশ্বাস করার জাইগা নেই। মমতা বিগত ৮ বছর জনবিচ্ছিন্ন, আমলা আর পুলিশ দিয়ে সরকার ও দল চালিয়েছে।
মমতা প্রাক্তন কংগ্রেসী, নরম হিন্দুত্বের পথই ভরষা।
এটাই সুযোগ ছিল পথে নামার।
বামেরা আরো অসহায়।
বৃদ্ধাশ্রমের আশক্তদের মত আলিমুদ্দিন স্ট্রীট ধুঁকছে।
জোয়ান মদ্দ ছেলে শুধু মহিলাদেরই পছং নয়-
ভাবনার ঘরেও কোলেস্টেরল,  বুকে জমা সবুজ কফ।
ভাবতে গেলে কাশি উঠে, তাই ডান কাতে কর্মীরা।
পথে প্রচুর রোদ, আপাতত বিশ্রামে।
কিভাবে কবে কখন কাদের নিয়ে আবার লড়াই শুরু?
বামেদের-
যেই ভাবনা টুকু ভাবার শক্তি নেই।

শূণ্য পাইয়া প্রমান করিল, তাহারা শূণ্য পাইবার যোগ্য।

স্বজাতীয় রচনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *